বিভাজিত বিশ্বে বাংলাদেশ : সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ
১ মার্চ, ২০২৬-এর সকালে বাংলাদেশ যে বিশ্বের মুখোমুখি হয়েছিল, তা আগের দিনে ছিল না। আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরান বিধ্বস্ত হওয়ার পরের সেই সকালে ঢাকাজুড়ে দেখা যায় জ্বালানির জন্য লম্বা লাইন, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে শত শত বাংলাদেশি শ্রমিক আটকা পড়ে, উপসাগরীয় স্বপ্ন থমকে যায় ভূরাজনৈতিক আগুনের মুখে। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন একটি বিবৃতি দিল, যেখানে যা বাদ দেওয়া হয়েছিল, তা যা বলা হয়েছিল তার চেয়ে বেশি কথা বলে গেল।
সেই বিবৃতিতে ইরানের পালটা হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা করা হয়েছিল। কিন্তু ইরানে আগ্রাসন চালানো যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের নাম নেই। এটি কোনো ভুল ছিল না। এটি ছিল পরবর্তী মাসগুলোয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে সংজ্ঞায়িত করবে এমন এক কৌশলের পূর্বাভাস : ভাঙনশীল বিশ্বব্যবস্থায় নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা কৌশলগত অস্পষ্টতা। সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মস্কোয় সের্গেই ল্যাভরভের সামনে বসেছেন-বর্তমান পদে তার প্রথম রাশিয়া সফর। এ মুহূর্তে সেই কৌশলের পূর্ণ রূপরেখা দৃশ্যমান। এবং এটি প্রথম দেখায় যা মনে হয়েছিল তারচেয়ে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ-এবং অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
- ট্যাগ:
- মতামত
- ভূরাজনীতি
- ভূরাজনৈতিক অবস্থান