এল-নিনোর প্রভাব ও আমাদের করণীয়

ঢাকা পোষ্ট ড. মিহির লাল সাহা প্রকাশিত: ০৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪০

চলতি মৌসুমে বাংলাদেশের রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২১ এপ্রিল ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকায় এ বছরে (১০ মে ২০২৬) এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৭৬ সালে দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০২৪ সালের এপ্রিলে যশোরে রেকর্ড করা হয়েছিল। এবছরও এপ্রিলের শুরু থেকেই পারদ নামক বস্তুটি ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান করছে।


আমরা জানি মানুষের শরীরের সাধারণ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি থাকলে আমাদের শুধু অস্বস্তি লাগে না বরং তাপপ্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে। প্রাথমিকভাবে তাপ ক্লান্তি এবং হিটস্ট্রোক অন্যতম। পরোক্ষভাবেও কিছু রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এই অসুস্থতাগুলো মারাত্মক হতে পারে, বিশেষ করে বয়স্ক, ছোট শিশু এবং দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের মতো দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য।


হিটস্ট্রোক বলতে আমরা কী বুঝি? হিটস্ট্রোক হলো শরীরের অতিরিক্ত গরমের কারণে সৃষ্ট একটি অবস্থা। এটি সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রার সংস্পর্শে থাকার কারণে অথবা উচ্চ তাপমাত্রায় দীর্ঘ সময় ধরে শারীরিক পরিশ্রমের কারণে ঘটে। তীব্র গরমে খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকা নির্বাহ করতে অনেক কষ্ট হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও