শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি: বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই নেই যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২৬, ০৯:২৯

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার ১৭ বছর পরও দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন হয়নি। বিশেষ করে অধিকাংশ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কমিটি নেই।


বিশ্ববিদ্যালয়সহ যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি হয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগ কার্যকর নয়। ইউজিসির সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর যৌন হয়রানি প্রতিরোধসংক্রান্ত কমিটির কাজে গতি নেই। ইউজিসিরও এ-সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন হয়নি।

অবশ্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি করার বিষয়ে তদারকি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে এখনো কমিটি হয়নি, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে প্রথম যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালা, অভিযোগ ও তদন্ত সেল গঠনের দাবি ওঠে। পরের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে এক তরুণীকে বিবস্ত্র করার ঘটনায় দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠলে এ বিষয়ে রুল দেন হাইকোর্ট। ২০০০ সালে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির (বিএনডব্লিউএলএ) পক্ষে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ছয় বছর পর হাইকোর্ট ঢাকা সিটি বিশেষ করে ঢাবি এলাকায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনসহ একাধিক নির্দেশনা দেন। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিএনডব্লিউএলএ ২০০৮ সালে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নতুন করে দিকনির্দেশনা চেয়ে রিট করে। এরপর ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট ‘যৌন হয়রানি’র সংজ্ঞা নির্ধারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনসহ একাধিক নির্দেশনা দেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও