‘হে শিশু, আমাদের ক্ষমা করো’

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২৬, ১৪:০৫

হাম। যে রোগটি বাংলাদেশ থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল, সেই রোগই এখন শিশুদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একের পর এক ছোট ছোট মুখ, যাদের অনেকেই এখনো ঠিকমতো ‘মা’ ডাকতে শেখেনি, পৃথিবীর রং ভালো করে দেখতেও পারেনি—তাদের জীবন থেমে যাচ্ছে জ্বর, কাশি, লালচে দাগ আর শ্বাসকষ্টের মধ্যে।


মৃত্যুর সংখ্যা এখন শুধু একটি সংখ্যা নয়। ১০০, ২০০, ৩০০—এভাবে গুনতে গুনতে ৪৯৯। একসময় সেটি ৫০০-তে পৌঁছাবে। আর তখন হয়তো কোথাও কোনো হাসপাতালের বিছানায়, কিংবা কোনো গ্রামের মাটির ঘরে, কোনো মা বা বাবা তাঁদের শিশুর কপালে হাত রেখে কাঁপা গলায় বলবেন, ‘আর একটু চোখ খোলো বাবা।’


কিন্তু শিশুটি আর চোখ খুলবে না।


ভাবলে শিউরে উঠতে হয়—এই শিশুগুলোর অপরাধ কী ছিল?


তারা তো রাজনীতি বোঝেনি। টিকাদান কর্মসূচির ফাইল কোথায় আটকে আছে, তা জানত না। এ নিয়ে দেনদরবারে কী সমস্যা হয়েছিল, তা তাদের জানাও নেই। তারা শুধু জন্মেছিল এই পৃথিবীতে একটু বড় হবে বলে। স্কুলে যাবে, নতুন জামা পরবে, বৃষ্টিতে ভিজবে, বাবা অথবা মার আঙুল ধরে হাঁটবে—এই ছিল তাদের স্বপ্ন। অথচ তাদের ভাগ্যে জুটল হাসপাতালের অক্সিজেন মাস্ক আর সাদা কাপড়ে মোড়ানো নিথর শরীর।


আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো, যারা বাংলাদেশকে টিকা দিয়ে সহযোগিতা করে, তারা বারবার সতর্ক করেছে। তারা এখন স্পষ্ট করে বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকাদানে গাফিলতি হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাঘাত ঘটেছে। যেসব শিশু নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলার টিকা পাওয়ার কথা ছিল, তাদের অনেকেই সেই সুরক্ষা পায়নি। আর সেই ফাঁক গলেই ফিরে এসেছে হাম।


কিন্তু সেই অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ কথা বলছেন, পত্রিকায় বিবৃতি দিচ্ছেন, কলাম লিখছেন, সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। তাঁদের কেউ কেউ বলছেন, ‘এটি বৈশ্বিক প্রবণতা।’ যেন এই মৃত্যুগুলো কোনো অবধারিত পরিসংখ্যান, কোনো প্রশাসনিক ফুটনোটমাত্র।


হ্যাঁ, এটা সত্য—শুধু বাংলাদেশেই এ বছর হাম বাড়েনি। বিশ্বের নানা দেশেই এর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। কিন্তু পার্থক্য হলো, অনেক দেশ বহু বছর ধরেই এই রোগের সঙ্গে লড়ছে। বাংলাদেশে ছিল ভিন্ন এক গল্প।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও