ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম–গেস্টরুম বন্ধ হয়েছে, ‘ট্যাগ’ দিয়ে নির্যাতন থামেনি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২০ মে ২০২৬, ০৯:৪৪

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে নিপীড়নমূলক গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতির অবসান হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জোর করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের কর্মসূচিতে নেওয়ার প্রবণতাও বন্ধ হয়েছে। বিভিন্ন হলের ক্যানটিনের খাবারের মান আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। তবে অভ্যুত্থান-উত্তর সময়ে ক্যাম্পাসে আগের মতোই ‘ট্যাগ’ দিয়ে নির্যাতন ও হেনস্তা করার সংস্কৃতি রয়ে গেছে।


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দলটির ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের (এখন নিষিদ্ধ) একচ্ছত্র আধিপত্যেরও অবসান ঘটেছে। আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) শাসনামলে ‘শিবির সন্দেহে’ শিক্ষার্থীদের মারধর করার বিষয়টি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রায় নিয়মিত ঘটনা। কাজটি করতেন ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা। এখন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ সন্দেহে বা ফ্যাসিস্টের দোসর—এমন ট্যাগ (তকমা) দিয়ে মারধর–নির্যাতনের পর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে।


গণ-অভ্যুত্থানের আগে ক্যাম্পাসে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির প্রকাশ্যে কোনো কার্যক্রম চালানোর সুযোগ পেত না। অভ্যুত্থানের পর থেকে ক্যাম্পাসে শিবিরের নেতা-কর্মীরা প্রকাশ্যে রাজনীতি করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত নেতৃত্বও এখন শিবিরের। বেশির ভাগ হল সংসদের নেতারাও শিবির-সমর্থিত। ছাত্রদল, বামধারার ছাত্রসংগঠন ও ইসলামপন্থী কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তিও এখন ক্যাম্পাসে সক্রিয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও