বিনিয়োগ বাড়াতে প্রথমে ব্যবসার খরচ কমাতে হবে

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৪১

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফেরাতে আগামী বাজেটে কার্যকর নীতির মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়ানো, ব্যবসার খরচ কমানো ও জ্বালানির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা জরুরি। একই সঙ্গে সুদের হারও এক অঙ্কে নামিয়ে আনার পদক্ষেপ থাকতে হবে। কারণ বর্তমানে খেলাপিঋণের চাপের কারণে ব্যাংকগুলো উচ্চ সুদে ঋণ দিচ্ছে, যা ব্যবসার প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমাচ্ছে।


সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আসন্ন বাজেট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।


তিনি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কী কী করা উচিত সে বিষয়ে কথা বলেন জাগো নিউজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিশেষ প্রতিনিধি ইব্রাহীম হুসাইন অভি।


অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবারের বাজেটে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?


খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম: সাধারণভাবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বলতে আমরা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকেই বুঝি। এখানে মূল তিনটি সূচক গুরুত্বপূর্ণ—বিনিময় হার, সুদের হার ও মূল্যস্ফীতি। এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য থাকা জরুরি।


কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখলে বোঝা যায়, মূল্যস্ফীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বিনিময় হার কিছুটা কৃত্রিমভাবে স্থির রাখা হয়েছে। সুদের হারও তুলনামূলক অনেক বেশি। ফলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত ভারসাম্য এখনো তৈরি হয়নি।


পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার ও সরকারের সম্ভাব্য ঋণনির্ভর বাজেট বাস্তবায়নও বড় উদ্বেগের বিষয়। আগামী অর্থবছরে সরকার যে উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ফলে সরকার যদি ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বেশি ঋণ নেয়, তাহলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এটিকে ‘ক্রাউডিং আউট’ বলা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও