You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কারিনা কায়সারের মৃত্যু দেখাল তাঁদের কোনো অনুশোচনা নেই

কারিনা কায়সার আর নেই। চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তিনি চলে গেছেন। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত এই তরুণী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে না পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা শুরু হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একাংশের কর্মী-সমর্থকেরা কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করছেন। এমনকি তাঁর মরদেহ নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য পর্যন্ত করছেন। এই ঘটনা কেবল একজন মৃত মানুষের প্রতি অসম্মান নয়, এটি একটি সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, নৈতিকভাবেও পরাজিত হয়েছে। জাতিসংঘের নিজস্ব প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগ কর্তৃক নিরীহ মানুষ হত্যার প্রমাণ নথিভুক্ত হয়েছে। হাজারের বেশি মানুষকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর দলটির নেতৃত্বের, দলটির সমর্থকদের কোনো অনুশোচনা নেই।

নিজেদের কর্মপন্থা একবারের জন্যও ফিরে দেখার চেষ্টা নেই। যুক্তরাজ্য সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণের পরেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে উন্মোচিত পর্বতপ্রমাণ দুর্নীতির পরেও তাদের বিবেকে কোনো কম্পন নেই। এই মানসিকতার স্বাভাবিক পরিণতিই হলো মৃত্যু নিয়ে উল্লাস।

তুলনাটা সামনে আনা দরকার। কারণ, এটি আওয়ামী লীগের নৈতিক দেউলিয়াত্বকে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে উন্মোচন করে। ১৩ মে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন ১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার। তিনি আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা, অর্থাৎ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

রাষ্ট্র তাঁর দায়িত্ব ভোলেনি। রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দিয়ে, হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে তাঁকে সসম্মানে বিদায় জানানো হয়। স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা সেই মুহূর্তে সহাবস্থানের নজির রেখেছেন। শান্তিপূর্ণ শেষবিদায় আয়োজনে তাঁরা পরিশ্রম করেছেন।

একইভাবে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মৃত্যুবরণ করেন। দুদকের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে ১০২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন ও দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবু তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্র হাজারো মানুষকে জানাজায় সমবেত হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাঁর মরদেহকে অবমাননা করেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্লীলতাহানির কোনো প্রতিযোগিতা হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন