রংপুরে কৃষিতে সাফল্য, জীবিকার অনিশ্চয়তায় মানুষ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২৬, ১১:১১

নিজ এলাকায় কাজের সংকটের কারণে বছর তিনেক আগে রংপুর শহরে এসেছিলেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কৃষিশ্রমিক জাহিদুল ইসলাম (৫০)। কৃষিকাজের পাশাপাশি ইমারত নির্মাণ ও টাইলসের কাজও রপ্ত করেছেন তিনি। তবে বৈচিত্র্যপূর্ণ কাজে দক্ষ হয়েও নিয়মিত কাজ পান না।


গত ২৭ এপ্রিল সকালে জাহিদুলের সঙ্গে কথা হয় রংপুরের শাপলা চত্বরে। বাজারের ব্যাগে জামাকাপড়সহ সেখানে কাজের সন্ধানে এসেছিলেন তিনি। আক্ষেপ নিয়ে জাহিদুল বলছিলেন, ‘ভুঁই (জমি) নিড়ানি, রাজমিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, হেলপারি (রাজমিস্ত্রির জোগালি)—সব কামোতে পাই। যেটে (যেখানে) নিয়া যায়, সেটে যাই। তা–ও একদিন কাজ পাই, তো আরেক দিন পাই না।’


ঢাকা বা চট্টগ্রামের তুলনায় রংপুর অঞ্চলে ভারী শিল্প, গার্মেন্টস, কলকারখানা বা রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা গড়ে ওঠেনি। অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অঞ্চলটিতে কৃষিনির্ভর শিল্পের প্রসার ঘটেনি। ফলে জাহিদুলের মতো কৃষিশ্রমিকেরা কর্মসংস্থানের অভাবে মৌসুমি বেকারত্বে ভোগেন।


যদিও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য বলছে, রংপুর অঞ্চল দেশের খাদ্য উৎপাদনের প্রধান জোগানদাতা। এখানে ধান, আলু ও ভুট্টার বড় অংশ উৎপাদিত হয়। তবু এ অঞ্চল দারিদ্র্য, নিম্ন আয়, সীমিত শিল্পায়ন এবং অবকাঠামোগত পশ্চাৎপদতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। এখানকার দারিদ্র্যের হার জাতীয় গড় দারিদ্র্যের হারের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, রংপুর বিভাগে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও