ট্রাম্পের সঙ্গে কেন সি চিন পিংয়ের চুক্তির কোনো প্রয়োজন নেই
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত বছর যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন, তখন চীনের নেতা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ওপর তাঁর দেশের নিয়ন্ত্রণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তাঁর সেই দৃঢ় অবস্থান ট্রাম্পকে এক বছরের বাণিজ্যবিরতি বা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য করেছিল। এই সপ্তাহে যখন সি বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে আতিথ্য দিচ্ছেন, তখন তাঁর হাতে খেলার আরেকটি শক্তিশালী কার্ড থাকবে—ইরান যুদ্ধ।
যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরের ঠিক আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বেইজিং সফর করেছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে চীনের প্রভাবের কথা আরও একবার স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
বেইজিংয়ের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ লি দাউকুই বলেন, ইরান ইস্যুটি আসলে চীনকে সাহায্য করছে।
আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া শীর্ষ সম্মেলনে ইরান যুদ্ধ সি চিন পিংকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। গত অক্টোবরের পর এটিই দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। হোয়াইট হাউস চীনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে, যাতে তারা তেহরানের প্রতি সমর্থন কমিয়ে দেয়। কারণ, চীন নিষিদ্ধ ইরানি তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা।