কাজুবাদাম আমদানিতে সুবিধা বেশি, হিমশিম খাচ্ছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৯ মে ২০২৬, ১২:২১

কাঠবাদাম ও আখরোট দেশে উৎপাদন করা হয় না। পুরোপুরি আমদানিনির্ভর এই দুই পণ্যে আমদানিকারকদের মোট শুল্ক–কর দিতে হয় ৬২ শতাংশ। তার বিপরীতে কাজুবাদাম আমদানির শুল্ক–কর তুলনামূলক কম, সব মিলিয়ে ৪৬ শতাংশ। অথচ দেশে উৎপাদিত কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ছোট-বড় প্রায় ২০টি কারখানায় বিনিয়োগ করেছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা। কিন্তু কাজুবাদাম আমদানিতে কম শুল্ক–করের কারণে দেশীয় এসব উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।


শুল্কবৈষম্যসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশীয় উদ্যোক্তারা এত দিন তাঁদের কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রেখেছিলেন। কিন্তু নতুন করে কাজুবাদাম আমদানিতে আরও সুবিধা দেওয়ায় এখন তাঁরা চাপে পড়েছেন। নতুন সুবিধা অনুযায়ী, আমদানি করা কাজুবাদামের ওপর হালকা আবরণ থাকলে কেজিপ্রতি ১০১ টাকা শুল্ক–কর দিতে হয় না। কাস্টমস শুল্কায়ন মূল্য কমানোর মাধ্যমে মূলত এই শুল্কছাড়ের সুবিধা পাচ্ছেন আমদানিকারকেরা।


এই শিল্পের স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, আমদানিতে নতুন করে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তাতে কাজুবাদাম আমদানির খরচ আরও কমবে। তার বিপরীতে দেশে কাঁচা বাদাম প্রক্রিয়াজাত করতে খরচ বেশি পড়ছে। নতুন সুবিধার কারণে হালকা আবরণযুক্ত কাজুবাদাম আমদানি দ্রুত বাড়ছে। কারখানায় কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত করার হার কমছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও