বরেন্দ্র অঞ্চলে বড় দুশ্চিন্তা পানি, ‘সংকটাপন্ন’ ঘোষণার পরও মানা হচ্ছে না বিধিনিষেধ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২৬, ০৮:৫৬

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্র অঞ্চলের অনেক গ্রামে এখন সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম পানি। একসময় যে পুকুরের পানি মানুষ ব্যবহার করতেন দৈনন্দিন কাজে, সেই পুকুর আজ পরিত্যক্ত। বাড়ির উঠানের নলকূপে পানি ওঠে না। যে গভীর নলকূপ দিয়ে বিঘার পর বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হয়েছে, সেই নলকূপে কখনো পানি পাওয়া যায়, কখনো যায় না। এতে অনেক এলাকায় খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।


গবেষকেরা বলছেন, নির্বিচার ভূগর্ভস্থ পানি তোলায় মাটির নিচের পানিধারক স্তর বা ‘অ্যাকুইফার’ মারা যাচ্ছে। ফলে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলেও মাটির নিচে পানি জমছে না। পানিসংকটে সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, বাড়ছে ধান চাষের খরচ, অনাবাদি হয়ে পড়ছে বিস্তীর্ণ জমি। এমনকি খাওয়ার পানি সংগ্রহেও মানুষকে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।


এমন অবস্থায় রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ২৫ উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজাকে গত বছরের ২৫ আগস্ট ‘অতি উচ্চ পানিসংকটাপন্ন’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এ ছাড়া ৮৮৪টি মৌজাকে ‘উচ্চ পানিসংকটাপন্ন এলাকা’ এবং ১ হাজার ২৪০টি মৌজাকে মধ্যম মাত্রার পানিসংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়। এ ঘোষণার পর ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে গত জানুয়ারিতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে সংকটাপন্ন এলাকায় খাওয়ার পানি ছাড়া অন্য কোনো কারণে নতুন করে নলকূপ স্থাপন ও ভূগর্ভস্থ পানি তোলা বন্ধ রাখাসহ ১১টি বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। তবে বাস্তবে বিধিনিষেধ মানা হচ্ছে না। ফলে ক্রমেই সংকট আরও বাড়ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও