হাম থেকে বাঁচার সুরক্ষা বলয়ের এই ফাটল সারাব কীভাবে

প্রথম আলো আরিফুজ্জামান খান প্রকাশিত: ০৬ মে ২০২৬, ০৯:০৭

ঢাকা শিশু হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলো এখন রোগীতে উপচে পড়ছে। তীব্র ফ্লুরোসেন্ট আলোর নিচে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে ছোট ছোট শিশুদের। এটি কয়েক দশক আগের কোনো ঐতিহাসিক বর্ণনা নয়; বরং ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের শেষের দিকের এক নির্মম বাস্তবতা।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে; আর প্রতিদিন নতুন করে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছে।


আমাদের স্বাস্থ্য তথ্য নজরদারি বা সার্ভিল্যান্স ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার কথা বিবেচনা করলে প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত এর চেয়ে অনেক বেশি।


অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ আমাদের সবচেয়ে অরক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যে দেশটি একসময় রোগটি প্রায় নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল, তাদের জন্য এটি এক চরম বৈপরীত্য।


বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত একটি টিকাদান কর্মসূচি এত দ্রুত কীভাবে ভেঙে পড়ল? প্রাপ্ত প্রমাণগুলো ভাইরাসের কোনো আকস্মিক রূপান্তরের দিকে ইঙ্গিত করে না; বরং এটি প্রশাসনিক গাফিলতি, নীতির পরিবর্তন এবং সরবরাহব্যবস্থার পুঞ্জীভূত ব্যর্থতার দিকে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।


২০২৪ ও ২০২৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। দেশজুড়ে হাম ও রুবেলার টিকার পাশাপাশি সিরিঞ্জের মতো অতি প্রয়োজনীয় উপকরণের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার পরও সেই অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে দেওয়া হয়েছে।


জাতীয় গড়ের হিসাব অনেক সময় বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে। এতে ‘জিরো ডোজ’ অর্থাৎ এক ডোজ টিকাও না পাওয়া শিশুদের বাস্তবতা আড়ালে থেকে যায়। এই শিশুরা পুরোপুরি স্বাস্থ্যব্যবস্থার বাইরে রয়ে গেছে।


রোগ সব সময়ই সবচেয়ে দুর্বল জায়গায় আঘাত হানে। যেখানে বিশুদ্ধ পানি ও নিয়মিত চিকিৎসা পৌঁছায় না, ভাইরাস সেখানেই বিস্তার লাভ করে।


বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বেশি কেন্দ্রীভূত। যেমন কড়াইল ও মোহাম্মদপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তসংলগ্ন ‘জটিল’ অঞ্চলগুলো।


এই অতি ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশে একটি মহামারি কেবল জীববৈজ্ঞানিক ঘটনা থাকে না; বরং তা একটি সামাজিক সংকটে রূপ নেয়। এটি বৈষম্যের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও