সেতু-সড়কের টোল: প্রযুক্তির ভিন্নতায় মিলছে না সুবিধা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৩ মে ২০২৬, ১১:০২

দেশের কিছু সড়ক ও সেতুতে টোল আদায়ে আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু হয়েছে। কিন্তু ব্যবস্থাটির সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সরকারি সংস্থা, অপারেটর ও সফটওয়্যার সংশ্লিষ্ট থাকায় গাড়ির এক নিবন্ধন দিয়ে সব সেতুর টোল বুথে সুবিধা নেওয়া যাচ্ছে না। এতে ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সময়ের দিক থেকে সাশ্রয়ী হলেও আধুনিক সেবাটির প্রতি আগ্রহও আশানুরূপ বাড়ছে না।


দেশে প্রধানত তিনটি সংস্থা— সেতু বিভাগ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইটিসি প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনা করছে। পাশাপাশি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতেও রয়েছে পৃথক ইটিসি ব্যবস্থা। এ সেবার জন্য নির্দিষ্ট মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হয়। গাড়ির নাম্বার প্লেটে থাকতে হয় রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগ। সরকারি কর্তৃপক্ষ নিজস্ব বা ঠিকাদারনির্ভর ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করায় ইটিসি টোলব্যবস্থায় একাধিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি ব্যবস্থায় আলাদাভাবে নিবন্ধন করতে হচ্ছে। একটিতে নিবন্ধন করে অন্য ইটিসিতে টোল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।


সেতু বিভাগের সেতুতে তিন ব্যবস্থা


সেতু বিভাগের আওতাধীন চারটি স্থাপনায় ইটিসি চালু রয়েছে—যমুনা, পদ্মা ও মুক্তারপুর সেতু এবং কর্ণফুলী টানেল। এসব স্থাপনায় তিনটি ভিন্ন অপারেটর তিন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে টোল আদায় করছে। সেতু বিভাগের সব সেতুতেই ইটিসি চালু করতে হলে আরএফআইডি ট্যাগ থাকতে হবে গাড়ির নাম্বার প্লেটে। তবে যমুনা সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর ইটিসি ব্যবস্থা এক ধরনের।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও