‘পচা ধানের গন্ধ আর সহ্য হচ্ছে না, হাওরের পানিতে দিছি ভাসাইয়া’

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০২ মে ২০২৬, ১৯:২৯

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর হাওরের কৃষক জহিরুল ইসলাম এক সপ্তাহ আগে ৩৫০ মণ ধান মাড়াই শেষে রোদে শুকানোর জন্য জমির পাড়ের খলায় স্তূপ করে রেখেছিলেন। সাত দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে ধান সেভাবেই রয়েছে। এরই মধ্যে স্তূপ করে রাখা ধান থেকে চারা গজিয়েছে। শুক্রবার ধান পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। কোনো উপায় না দেখে আজ তিনি সেসব ধান হাওরের বৃষ্টির পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছেন।


মানিকপুর হাওরের আরেক কৃষক তমিজ উদ্দিনও একই দুঃখের কথা জানান। তিনি বলেন, মাড়াই শেষে ৭০ বস্তা ধান তিনি খলায় রেখেছিলেন। শুকাতে না পেরে ধান পচে নষ্ট হয়ে গেছে। বস্তাসহ সেসব ধান ভাসিয়ে দিয়েছেন হাওরের পানিতে।


জানা যায়, কিশোরগঞ্জে টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিসহ ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে হাওরাঞ্চলের অন্তত ৩০ হাজারের বেশি কৃষক বিপাকে পড়েছেন। এ ছাড়া টানা এক সপ্তাহ বৃষ্টির কারণে কৃষকের কাটা ধান ও শুকানোর জন্য মাড়াই করা যেসব ধান স্তূপ করে রাখা হয়েছিল, সেগুলোও পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অনেক কৃষক এখন সেসব চারা গজানো ধান হাওরের পানিতে ফেলে দিচ্ছেন। অন্যদিকে ১  হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা রোজের শ্রমিক দিয়ে জমি থেকে কেটে আনা যেসব ধান খলায় বা অন্য জায়গায় স্তূপ করে রাখা ছিল, সেগুলোও নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কৃষক শ্রমিক ও হারভেস্টার মেশিনের উচ্চমূল্য দিতে না পেরে নয়ন ভাগা (যত দূর দেখা যায়, এর মধ্যে যার যেমন খুশি ধান কেটে নেওয়া) দিয়ে দিচ্ছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও