You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভর্তি হতে মাসের পর মাস অপেক্ষা, ভোগান্তিতে রোগীরা

আলেয়া বেগম (৪৫)। ছয় মাস আগে গলায় ব্যথা নিয়ে এসেছিলেন ঢাকায়। জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছেন, তার ক্যানসার হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা করতে হবে। কিন্তু ভর্তির জন্য ঘুরছেন গত চার মাস।

আলেয়া বেগমের স্বামী কামাল মন্ডল জাগো নিউজকে বলেন, ‘ছয় মাস ধরে অসুস্থ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এখানে (জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতাল) আবার ঢাকা মেডিকেল, এভাবে ছয় মাস ধরে ঘুরছি। চার মাস যাবত নাক কান গলা ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তির জন্য ঘুরছি। প্রথমে বলছে, দেড় মাসের ওষুধের কোর্স শেষ করে আসতে। আসছি। পরে বলছে, ১৫ দিন পরে আসতে। আসার পর আবার বলছে, সাত দিন পরে আসতে। আজকে সেই সাত দিন পর আসলাম। দেখি কী করে!’

কামাল মন্ডলের বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। প্রতিবার এত দূর থেকে হাসপাতালে আসেন। বললেন, ‘আপডাউন ব্যয়বহুল। আসা-যাওয়া করতে করতে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। ক্যানসার মানে মরণ রোগ।’

কামাল মন্ডল বলেন, ‘এখান থেকে ঢাকা মেডিকেল পাঠায়। আবার ঢাকা মেডিকেল থেকে এখানে পাঠায়। এখানেও চার মাস ঘুরছি।’

ননী দাস (৭০)। গলার মধ্যে কী যেনো হয়েছে। কিছু খেতে পারেন না। খেলেই বমি করেন। চিকিৎসক দেখাতে এসেছিলেন গত ২৮ এপ্রিল। সেদিন ওষুধ দিয়ে বলেছিলেন কিছু পরীক্ষা করে ১৪ দিন পরে আসতে।

রোগীর ছেলে শিপন জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত দুদিন ওষুধ খাইয়ে দেখেছি। ওষুধ খাওয়ালেও বমি করে ফেলে দেন। খাওয়া তো ফেলে দেন-ই। আজ (৩০ এপ্রিল) আবার আসছি। নতুন টিকিট কাটলাম দেখাতে। তারা পাঠালো ৭ নম্বর রুমে (আবাসিক সার্জনের রুম)। এখানে তো ঢুকতেই দিচ্ছে না। বলে আগের নির্দেশনা ফলো করতে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন