বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে ৩ পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাপলের হবু সিইও
সিনিয়র থাকাকালীন আমি পেনের প্রথম ও সে সময়ের একমাত্র সিএনসি মিলিং মেশিনটা প্রায় ধ্বংস করে ফেলেছিলাম। তারপরও যে আমাকে আবার আপনারা ক্যাম্পাসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ। পুরো গল্পটা আজ আর বলছি না। শুধু এটুকু বলি, সেই বছরের বাকিটা সময় সবাই আমাকে ‘ক্র্যাশ’ বলে ডাকত।
স্নাতকেরা, অভিনন্দন। আজ একটা অসাধারণ দিন। এই দিনটি আরও বিশেষ, কারণ একটা অভাবনীয় পথ পাড়ি দিয়ে তোমরা এখানে পৌঁছেছ। কয়েক বছর আগের কথা ভাবো, মহামারির কারণে সারা বিশ্ব ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। একজন হাইস্কুল গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তোমরা জানতে না, তোমাদের কলেজজীবন কেমন হবে। আর এখন ভাবো, সেই সময়ের পর থেকে তোমরা কী কী অর্জন করেছ। আজ তোমরা বিশ্বের অন্যতম সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের গ্র্যাজুয়েট। তোমরা পেরেছ বলেই তোমরা আজ এখানে! সামনের পথটা আরও রোমাঞ্চকর, কারণ এবার তোমরা বাইরে বেরোবে, নিজের পরিচয় গড়বে। ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে সাজাবে। এই যাত্রায় তোমাদের সাহায্য করার জন্য আমার কিছু পরামর্শ আছে।