You have reached your daily news limit

Please log in to continue


জ্বালানির দাম বাড়লে ‘অদৃশ্য মূল্যস্ফীতি’ তৈরি হয়

‘এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা দামের চেয়ে সরবরাহ ঘাটতি। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলে, তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি এড়ানোর সুযোগ সীমিত। তাই সঠিক নীতি, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা ও বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণই হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ।’

দেশে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বহুমাত্রিক প্রভাব নিয়ে জাগো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিশেষ প্রতিনিধি ইব্রাহীম হুসাইন অভি।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে অর্থনীতিতে কী কী প্রভাব পড়তে পারে?

ড. জাহিদ হোসেন: জ্বালানির দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি ও পরোক্ষ—দুই ভাবেই পড়ে। পরিবহন খরচ বাড়ে, উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। ফলে পণ্যের দাম বাড়ে—এটাই সরাসরি প্রভাব। কিন্তু এর বাইরে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।

মূল্য সমন্বয় না করলেও বাজারে কার্যত ‘অদৃশ্য মূল্যস্ফীতি’ তৈরি হচ্ছিল। সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি সবাই পাচ্ছিল না। ফলে সময়ের অপচয়, লাইনে দাঁড়ানো বা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হওয়া—এসবের অর্থনৈতিক মূল্য আছে, যা পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না।

আরেকটি বড় প্রভাব হলো—দামের বিকৃতি থাকলে কালোবাজারি তৈরি হয়। কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি—এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক বাজার তৈরি হয়েছিল। কৃষক পর্যায়ে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডিজেল কিনতে হয়েছে।

মূল্য সমন্বয় না করলেও কি একই ধরনের প্রভাব পড়ছিল?

ড. জাহিদ হোসেন: হ্যাঁ, মূল্য সমন্বয় না করলেও বাজারে বিকৃতি তৈরি হচ্ছিল। কৃত্রিমভাবে কম দামে জ্বালানি রাখলে কালোবাজার গড়ে ওঠে, যেখানে কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। এতে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ে এবং কৃষকসহ সাধারণ মানুষকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন