জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ‘অবস্থানের’ অভিযোগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৬৬ জন শিক্ষককে পাঠদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
পটপরিবর্তনের পর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ‘নিষিদ্ধ’ হওয়া শিক্ষকদের অনেকের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলায় ‘উসকানি’ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ। আবার কোনো কোনো শিক্ষক ২০২৪ সালের ৩ অগাস্ট ‘নীল দল’ এর মিছিলে অংশগ্রহণ করায় শিক্ষার্থীদের ‘বয়কটের’ শিকার হয়েছেন।
এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের উদ্যোগ নেয়। তবে দীর্ঘ ২০ মাস পেরোলেও তদন্ত শেষ হয়নি; অভিযোগ নিষ্পত্তির কোনো উদ্যোগও নেই।
অভিযোগ ওঠা শিক্ষকদের অনেকেই বলছেন, গত দেড় বছরে কারো বিচার হয়নি। মূলত ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার’ জেরে তাদেরকে শ্রেণিকক্ষে ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না।
জুলাই অভ্যুত্থানের দেড় মাস বাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পান উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ। দায়িত্ব নিয়ে তিনি ‘জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া শিক্ষক-কর্মকর্তা শনাক্ত কমিটি’ গঠন করেন; তবে এরপর আর সেই কাজে গতি আনতে পারেনি।
এ বিষয়ে জানতে তখনকার উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া মেলেনি।