ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হলে কী প্রভাব পড়বে?

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:২৪

ক্রুড অয়েল সংকটের কারণে প্রায় বন্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (ইআর পিএলসি)। প্রতিষ্ঠানটির পাঁচটি উৎপাদন ইউনিটের মধ্যে ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে দুটি।


অচিরেই ক্রুড অয়েলের চালান না এলে সাময়িক সময়ের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনকারী এ প্রতিষ্ঠান। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ক্রুড অয়েলের অভাবে ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হয়ে গেলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় কতটা বিঘ্ন ঘটবে, সেই শঙ্কা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হচ্ছে, দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদার খুব কম পরিমাণই ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে আসে। চাহিদার বড় অংশ মেটানো হয় আমদানি করা পরিশোধিত জ্বালানি তেল দিয়ে।


যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ‘নিয়মিত’ পরিশোধিত তেল আমদানি হচ্ছে। এ কারণে ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হলেও আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধি ছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় কোনো সংকট হবে না বলে তাদের ভাষ্য।


জ্বালানি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হয়ে গেলে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ওপর চাপ পড়বে এবং বেশি দামে এসব তেল কিনতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এটা সরকারের জন্য বাড়তি ‘চাপ’ হবে। এছাড়া তেল পরিশোধন করে ইস্টার্ন রিফাইনারি যে আয় করত, সেটি তারা পাবে না।


এ ধরনের পরিস্থিতি উত্তরণে জ্বালানি তেল সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত ইস্টার্ন রিফাইনারির নতুন ইউনিট চালুর উদ্যোগ নিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও