প্রায় দেড় যুগ আগে একবার বৈশাখী মেলায় হারিয়ে গিয়েছিলেন পার্থ শেখ। অনেক চেষ্টার পর নিজেই বাড়ি খুঁজে বের করেছিলেন। সেই পার্থ এখন পর্দার মানুষ। জানালেন, এখনো প্রায়ই হারিয়ে যান। তবে এই হারিয়ে যাওয়ায় আনন্দ আছে। কারণ, এই হারিয়ে যাওয়া পছন্দের কোনো কাজে হারিয়ে যাওয়া। এবার বৈশাখ উপলক্ষে চা গরম ওয়েবের মিঠু চরিত্রটি তেমনই একটি পছন্দের কাজ। যে কাজের মধ্যে নিজেই হারিয়ে গিয়েছিলেন।
চা গরম–এ পার্থর কেয়ারলেস স্বভাবের চরিত্রটি দর্শক পছন্দ করেছে। মজা করে তিনি বলেন, ‘সবকিছু নিয়েই সে ড্যাম কেয়ার। সবাই যেভাবে জীবন নিয়ে ভাবে সেখানে মিঠু (পার্থ) অতোটা সচেতন নয়, চালাক নয়।’ দর্শক এখন চরিত্রের খুঁটিনাটি নিয়ে কথা বলছেন। সেখানে একটি দৃশ্য ছিল চা ভর্তা খাওয়া। তাঁকে নাকি সেটাও খেতে হয়েছে। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে তিনি আরও বলেন, ‘চা–বাগানের এমন একটা লোকেশনে আমরা শুটিং করেছি, যেখানে ছিল না নেটওয়ার্ক, সে এক অন্য দুনিয়া। স্থানীয় অনেকেই চা গরম–এ অভিনয় করেছেন। তাদের অভিনয়ও অসাধারণ।’
‘আমার গল্পই নায়ক’
শুধু ভাইরাল হওয়ার জন্য আর কোনো কাজ করতে চান না পার্থ শেখ। দর্শকদের মনে জায়গা করে নিতে না পারলে শিল্পী হিসেবে সব চেষ্টাই ব্যর্থ, মনে করেন তিনি। পার্থর মতে, ‘দেখুন, আমার কথাই যদি বলি, ‘ভালোবাসি তাই ভালোবেসে যাই’ বাংলা নাটকের একটি কাল্ট ক্ল্যাসিক। এগুলো দর্শকদের মনে দাগ কাটে। এমন আরও অনেক নাটক রয়েছে। গল্পপ্রধান এমন নাটকই খুঁজছি, যে নাটক ক্যারিয়ারে প্রাপ্তি ঘটাবে।’
‘ভাইরালের দরকার নেই’
‘ভাইরাল হয়ে কী করব, কাজটিই যদি ভালো না হয়। আর ভাইরাল হলেই কী, এটা জাস্টিফাই করে সে ভালো শিল্পী? মূলত ভাইরাল একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিছুদিন চলে। দর্শক আবার সেটা ভুলে যায়। আমি এভাবে লাইমলাইটে আসতে চাই না। আমার ভাইরালের দরকার নেই,’ কথাগুলো বলেন অভিনেতা পার্থ। কিছুটা সময় নিয়ে বলতে শুরু করেন, ‘আমি ভালো শিল্পী হতে চাই। ভালো মানুষ হতে চাই। শৈল্পিক চর্চা আর আদর্শের মধ্যে থাকতে চাই। আমি আরও অনেক কিছু শিখতে চাই। যেন দর্শকদের কাছে শিল্পী হতে পারি।’