ব্লক প্রিন্ট—হাতে ছাপা নকশায় সময়ের গল্প বলে যে মাধ্যম

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৯

আজকের দ্রুতগতির ডিজিটাল প্রিন্টের যুগে দাঁড়িয়ে ব্লক প্রিন্টিং যেন সময়ের বিপরীতে হেঁটে চলা ধীর, মন্থর অথচ গভীর এক শিল্পচর্চা। এর ইতিহাস যেমন বিস্তৃত, তেমনি সম্ভাবনাময় এর ভবিষ্যৎ। অতীত থেকে বর্তমান—চার হাজার বছরের দীর্ঘ যাত্রাপথে ব্লক প্রিন্টিং বহুবার হারিয়ে যেতে বসেছে, আবার নতুন করে ফিরে এসেছে মানুষের ভালোবাসায়। ব্লকের নকশার সুলুকসন্ধান করলেন শেখ সাইফুর রহমান।


প্রাচীন চীনে প্রোথিত আছে ব্লক প্রিন্টিংয়ের শিকড়। প্রায় চার হাজার বছর আগে কাঠের ব্লক খোদাই করে সেখানে চালু হয় কাপড়ে নকশা ছাপার এই প্রথা। বস্ত্র অলংকরণের এই কৌশল খুব দ্রুতই কাগজে ছাপার ক্ষেত্র পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে পড়ে। মানবেতিহাসে প্রাচীনতম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয় ডায়মন্ডসূত্র, ৮৬৮ সালে মুদ্রিত এই বিখ্যাত বৌদ্ধধর্মগ্রন্থটি কিন্তু ব্লক প্রিন্টিং পদ্ধতিতে ছাপা। চীনের তাং রাজবংশের সময়পর্বে (৬১৮-৯০৭ সাল) আরও পরিণত রূপ পায় ব্লক প্রিন্টিং। ধীরে ধীরে এটি জাপান, কোরিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। জাপানে উডব্লক প্রিন্টশিল্পের সূক্ষ্ম রেখা ও রঙের ব্যবহার বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করে।


ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন


দ্বাদশ শতাব্দীর দিকে ব্লক প্রিন্টিং ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। তবে এর প্রকৃত বিকাশ ঘটে মোগল আমলে। আসলে ষোড়শ শতাব্দীতে মোগল সাম্রাজ্যের পৃষ্ঠপোষকতায় পুরো বস্ত্রশিল্পই এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। রাজস্থানের জয়পুর, বাগরু, সাঙ্গান ইত্যাদি অঞ্চল ব্লক প্রিন্টিংয়ের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।


এসব অঞ্চলের সুতি ও সিল্কের কাপড়ে থাকত প্রাকৃতিক রং আর দক্ষ কারিগরের হাতের ছোঁয়া। তখনো প্রতিটি নকশার জন্য আলাদা ব্লক তৈরি করা হতো। একটি ডিজাইনে যদি তিনটি রং থাকত, তবে প্রয়োজন হতো তিনটি পৃথক ব্লক। এই নিখুঁত সমন্বয় ও পুনরাবৃত্তির ক্ষমতাই ব্লক প্রিন্টিংকে করে তোলে অনন্য।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও