মাছের আঁশ রপ্তানি করে আসছে লাখ টাকা

জাগো নিউজ ২৪ কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩২

কুড়িগ্রামে এক সময় ফেলে দেওয়া মাছের উচ্ছিষ্ট আঁশ এখন রপ্তানিপণ্যে পরিণত হয়েছে। পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি এই উদ্যোগে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান, বাড়ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয়। ফলে স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক সচ্ছলতায় ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


সাধারণত মাছের আঁশ বর্জ্য হিসেবেই বিবেচিত। তবে গত কয়েক বছরে এই আঁশই হয়ে উঠেছে মূল্যবান কাঁচামাল। প্রতিবছর কয়েকশ মণ মাছের আঁশ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন পাইকারের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। যা থেকে আয় হচ্ছে লাখ টাকা।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুই, কাতলা, মৃগেল, কার্প ও ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের আঁশের চাহিদা বেশি। শুধু আঁশ নয়, মাছের ফুলকা, নাড়িভুঁড়ি, পেটের অংশসহ অন্যান্য উচ্ছিষ্ট উপাদানেরও বাজার তৈরি হয়েছে। বড় মাছের আঁশ সংগ্রহের পর তা ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। পরে বছরে দুই থেকে তিনবার এসব আঁশ পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। প্রতি মণ আঁশের দাম দুই থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে।


ব্যবসায়ীরা জানান, এক মণ কাঁচা আঁশ সংগ্রহে খরচ হয় মাত্র ২০-২৫ টাকা। শুকানোর পর তা থেকে প্রায় এক কেজি আঁশ পাওয়া যায়। যা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এতে করে খুব সহজেই বাড়তি লাভের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।


রাজারহাট বাজা‌রের ব্যবসায়ী সুনীল চন্দ্র ও দিলীপ কুমার বলেন, আগে মাছের আঁশ ফেলে দিতাম। এখন প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর এগুলো সংগ্রহ করে শুকিয়ে বিক্রি করছি। এতে আমাদের অতিরিক্ত আয় হচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও