তেল সংকট, থেমে গেছে চাকা—চরের মানুষের জীবনে দুর্ভোগ

ডেইলি স্টার দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৫৬

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দ্রুত বদলে যাওয়া চরের জীবনে আবারও ধীরে ধীরে ফিরে আসছে হাজার বছরের স্থবিরতা। জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে প্রান্তিক এই জনপদের বেশিরভাগ যান্ত্রচালিত যানবাহন। সেচের খরচ বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা তাকিয়ে আছেন বৃষ্টির দিকে। চলতি মৌসুমে নিজেদের উৎপাদিত ভুট্টা, গম, ধানসহ নানা চৈতালি ফসল শহরে পৌঁছাতে আবারও প্যাডেলচালিত যানবাহনই হয়ে উঠছে একমাত্র ভরসা।


কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী দুটি ইউনিয়ন—রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারির প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জীবনে নেমে এসেছে এমন দুর্ভোগ। অথচ হেরিংবন সড়ক, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ট্রলি ও মোটরসাইকেলের চাকার ওপর ভর করেই কয়েক বছরের প্রচেষ্টায় চরের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন এখানকার পরিশ্রমী মানুষজন।


সরেজমিনে দেখা যায়, ভারতীয় সীমান্তবর্তী এই দুই ইউনিয়নে পৌঁছাতে কুষ্টিয়া শহর থেকে পাড়ি দিতে হয় প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ। প্রথমে দৌলতপুর উপজেলা সদর, সেখান থেকে তারাগুনিয়া-হোসেনাবাদ হয়ে আবেদের ঘাট। এরপর শুরু হয় পানি আর বালির পথ। পদ্মার বুক চিরে গড়ে ওঠা দুর্গম পথ ধরে আরও পাঁচ-ছয় কিলোমিটার অতিক্রম করে পৌঁছাতে হয় চিলমারির বাজারে।


আবেদের ঘাট থেকে চিলমারি যাওয়ার পথে চোখে পড়ে তেলের বোতল হাতে ছুটে চলছেন অসংখ্য মানুষ। জানতে চাইলে প্রায় সবাই বলেন, তেল আনতে শহরে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাজারে ডিজেলের দাম উঠেছে লিটারপ্রতি ১৬০ টাকা। ধান বাঁচাতে অন্তত ৫ কিলোমিটার হেঁটে গঞ্জের বাজারে গিয়েও চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুদিন আগেও মোটরসাইকেলে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে সহজেই পৌঁছানো যেত আবেদের ঘাট বা ভাগজোত ঘাটে। কিন্তু পেট্রোলের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় পৌঁছানোয় সেই মোটরসাইকেল চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও