‘ইন্টারজেনারেশনাল ফ্রেন্ডশিপ’ দুই প্রজন্মের মানুষের মাঝে বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৪৫

আজকের ব্যস্ত ও বিচ্ছিন্ন সমাজে বন্ধুত্বের ধারণা অনেকটা সীমিত হয়ে পড়েছে। তবে যখন দুজন মানুষের বয়সের ব্যবধান কমপক্ষে ১৮ বছর হয়, তখন তাদের মধ্যে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বকে বলা হয় আন্তঃপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব বা ‘ইন্টারজেনারেশনাল ফ্রেন্ডশিপ’।


এই সম্পর্ক শুধু দুজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং প্রজন্মগত ব্যবধান দূর করে সমাজকে করে তোলে আরও সংযুক্ত ও সহানুভূতিশীল।


প্রবীণের জ্ঞান-অভিজ্ঞতা আর তরুণের উদ্যম-আধুনিক চিন্তা মিলে এই বন্ধুত্ব হয়ে ওঠে এক অনন্য সেতুবন্ধন।


জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফারজানা রহমান দিনা বলেন, “ইন্টারজেনারেশনাল ফ্রেন্ডশিপ’ শুধু দুজনের মধ্যে সম্পর্ক নয়, এটি দুই প্রজন্মের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। প্রবীণরা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, আর তরুণরা প্রযুক্তি, নতুন ধারণা ও উদ্যম নিয়ে আসেন। এতে উভয়ের জীবনই সমৃদ্ধ হয়।”


এই বন্ধুত্ব গুরুত্বপূর্ণ


সমাজে বয়সভিত্তিক বিভাজন খুব স্পষ্ট। প্রবীণরা প্রায়ই একাকিত্বে ভোগেন, আর তরুণরা মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তায়। ‘ইন্টারজেনারেশনাল ফ্রেন্ডশিপ’ এই দুইয়ের মাঝে সেতু তৈরি করে।


‘জার্নাল অফ এইজিং স্টাডিজ’য়ে ২০২৩ সালে প্রকাশিত এই বিষয়ে করা গবেষণায় উল্লেখ করা হয় যে, যেসব তরুণ ও বয়স্করা নিয়মিতভাবে প্রজন্মগত বিভেদ অতিক্রম করে একে অপরের সাথে মেলামেশা করেন, তাদের জন্য জ্ঞানীয়, শারীরিক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপকারিতা রয়েছে।


প্রবীণরা পান নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যুক্ত থাকার আনন্দ, আর তরুণরা পান জীবনের মূল্যবান শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা।


রিডার ডাইজেস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে গবেষক ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেমসন ইউনিভার্সিটি’র উন্নতি-বিষয়ক মনোবিদ ড. অ্যাবি স্টেফান বলেন, “ইন্টার’ মানে ‘মাঝে’ এবং এটি পারস্পরিকতা ও উভয়ের প্রভাবে একটি অনুভূতি প্রকাশ করে।”


তিনি আরও বলেন, “শক্তিশালী আন্তঃপ্রজন্মীয় বন্ধুত্বগুলো বিষয়টি কাজে লাগায়। কারণ এগুলো সমবয়সি বন্ধুত্বের তুলনায় অনেক বিস্তৃত অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং দক্ষতার ওপর নির্ভর করে।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও