গরমে পানিশূন্যতা নিয়ে কেন এত ভয়
দেহকোষের অন্যতম উপাদান পানি। কোষের গঠন, গড়ন এবং কাজ ঠিকঠাক রাখতে চাই পানি। তাই রোজ পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে।
পানিশূন্যতা এবং অতিরিক্ত পানি গ্রহণ—কোনোটাই দেহের জন্য ভালো নয়। পানিশূন্যতাজনিত কিছু সমস্যার কথা জেনে নেওয়া যাক। সঙ্গে জেনে নিন প্রতিরোধের উপায়ও।
‘টুকটাক’ সমস্যা
পানিশূন্যতার প্রভাবে ছোটখাটো কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যা আমরা সহজেই এড়িয়ে যাই। এসব সমস্যার অন্যতম হলো মাথাব্যথা। কারণ না জেনেই অনেকে ওষুধ খেয়ে নেন। তাতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও মূল কারণটা ধরতে না পারায় মাথাব্যথাও রয়েই যায়।
পানির ঘাটতি হলে মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়। শুকনা লাগে ঠোঁট। পিপাসা লাগে। মাথা ঘোরার মতো সমস্যাও হতে পারে।
পানিশূন্যতার প্রভাবে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি। কাজে মনোযোগ দিতে সমস্যা হয়। আর সহজেই অধৈর্য হয়ে পড়ি। তুচ্ছ কারণে মেজাজ বিগড়ে যায়।
সমস্যাগুলোকে ছোট মনে হলেও এগুলো আমাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। আর সাধারণ সমস্যার আড়ালে দেহ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে লম্বা সময় ধরে। ফলে অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।
মূত্রতন্ত্রের নানা রোগ
দেহের বর্জ্য বের করতে রোজ পর্যাপ্ত প্রস্রাব হতেই হবে। কিন্তু পানিশূন্যতার মারাত্মক প্রভাব পড়ে কিডনিতে। কমে যায় কিডনির স্বাভাবিক কাজ করার ক্ষমতা।
প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়। প্রস্রাব হয় গাঢ় রঙের। দেহে জমা হতে থাকে ক্ষতিকর বর্জ্য। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে প্রস্রাব একেবারে বন্ধও হয়ে যেতে পারে।
তা ছাড়া পানিশূন্যতার কারণে প্রস্রাবে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। বিশেষ করে নারীদের এই ঝুঁকি বেশি। তা ছাড়া পানিশূন্যতার কারণে যে কারোরই মূত্রতন্ত্রে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- পানিশূন্যতা
- স্বাস্থ্যঝুঁকি