অসংক্রামক রোগে মৃত্যু বেশি, থেমে নেই সংক্রামক রোগও

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৯

বিংশ শতাব্দীর শেষে (১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) বাংলাদেশে জীবাণুঘটিত সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। অন্যদিকে একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে ডায়াবেটিস, কিডনি ও হৃদ্‌রোগের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে দেশে অসুস্থতায় মৃত্যুর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ঘটে অসংক্রামক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে। এর সঙ্গে বিভিন্ন সময় সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবও দেখা দিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই সমান্তরাল রোগের উপস্থিতিকে ‘ডাবল বার্ডেন অব ডিজিজ’ বা ‘রোগের দ্বৈত বোঝা’ বলে ব্যাখ্যা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বহু ওষুধ প্রতিরোধী (এমডিআর) জীবাণুর বিস্তারের বিষয়টিও।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে রোগের অবস্থার রূপ বদলেছে। তিন দশক আগে যেসব সংক্রামক রোগ জনস্বাস্থ্যের প্রধান হুমকি ছিল, টিকা কর্মসূচির সফলতায় সেগুলোর বেশির ভাগই এখন নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে দ্রুত বেড়েছে অসংক্রামক রোগ। তবে মাঝেমধ্যে সংক্রামক রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে বলে একসঙ্গে দুই ধরনের রোগের চাপ রয়েছে।


সংক্রামক রোগপ্রতিরোধে অগ্রগতি


সংক্রামক রোগপ্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি। একসময় শিশুমৃত্যুর প্রধান কারণ ডায়রিয়া এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। কলেরা হ্রাস পেয়েছে। টাইফয়েড ও শিগেলোসিস বিদ্যমান থাকলেও নিয়ন্ত্রিত। যক্ষ্মা (টিবি) নির্মূল না হলেও শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা বেড়েছে। ম্যালেরিয়া মূলত পাহাড়ি এলাকায় সীমিত। কালাজ্বর নির্মূল হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচির ফলে ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও টিটেনাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পোলিও নির্মূল হয়েছে। হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘ই’ কিছুটা কমেছে। র‍্যাবিসের প্রকোপ কমেছে।


অসংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব


২০০৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) পূর্বাভাস দিয়েছিল, স্বাস্থ্যচিত্রের রূপান্তরের ফলে আগামী দুই দশকে বিশ্বের স্বাস্থ্য চাহিদায় নাটকীয় পরিবর্তন ঘটবে। ২০২০ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল অঞ্চলে প্রতি ১০টি মৃত্যুর মধ্যে ৭টির জন্য অসংক্রামক রোগ দায়ী হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও