You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সারের বাজারে যুদ্ধের আঁচ: ছাদ-বাগান থেকে ফসলের মাঠ, বিপাকে সবই

অবসর পেলেই আমি হয়ে উঠি একজন পুরোদস্তুর ছাদ-কৃষক, বলা ভালো ছাদ-বাগানি। ছাদকৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকি, মাটি নাড়াচাড়া করি, গাছের গোড়ায় সার দিই। নিজে হাতে কম্পোস্ট বানাই, ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির চেষ্টা করি। এই সামান্য অভিজ্ঞতা থেকে একটা কথা হাড়ে হাড়ে টের পাই যে সার ছাড়া কৃষি একটি নিষ্প্রাণ শব্দমাত্র। গাছ কথা বলতে পারে না, কিন্তু সারের অভাবে তার পাতার রং বদলায়, ডালপালা ঝরে পড়ে, ফলন থমকে যায়। এই কথাটা যদি একটি ছাদের সীমানায় সত্য হয়, তাহলে আঠারো কোটি মানুষের একটি দেশের কৃষিক্ষেত্রে সেটা কতখানি বিধ্বংসী হতে পারে, সেই হিসাব করতে গেলে মাথা ঘুরে যায়।

মধ্যপ্রাচ্যে এখন আগুন জ্বলছে। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তা এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক সার বাজারে। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম টনপ্রতি প্রায় ৪৮০ ডলার থেকে লাফ দিয়ে ৬২৫ ডলারে পৌঁছেছে, বৃদ্ধির হার ২৫ শতাংশের বেশি। এর পেছনে আছে কোটি কৃষকের ঘাম, আমনের জমিতে সার ছিটানো হাত, আর বোরোর মৌসুমে রাত জেগে সেচ দেওয়ার গল্প।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন