রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, কোটি টাকা লোকসান

যুগান্তর প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫০

নগরীর ডজনখানেক বিনোদন কেন্দ্রে কয়েকশ অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে সরকারের। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় বছরের পর বছর ধরে এসব অবৈধ সংযোগ দিয়ে কয়েকটি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। 


অভিযোগ রয়েছে, এই টাকার একাংশ পায় বিদ্যুৎ অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী। আর মাঝেমধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালানো হলেও বন্ধ হয় না অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ। প্রতিটি ভাসমান দোকান থেকে মাসে দুই থেকে সাত হাজার টাকা নেয় ওই চক্রের সদস্যরা।


সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর ত্রিশ গোডাউন, বেলসপার্ক, হাতেম আলী চৌমাথা, বিবির পুকুরপাড়, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাঙ্গারপাড়সহ ডজনখানেক বিনোদন স্পটে কয়েক শতাধিক অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বিপুল অঙ্কের টাকা। ত্রিশ গোডাউনে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান রয়েছে। এসব দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে সাবেক কাউন্সিলর রয়েলের স্বজন পরিচয়ে সিনহা ও বাপ্পি। হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা লেকের পাড়ে ১২৩টি দোকান রয়েছে। এসব ফুটপাতের দোকানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন ইমন ও সাদ্দাম। বিএনপি নেতাকর্মী পরিচয় দিয়ে তারা এ অবৈধ বিদ্যুৎ বাণিজ্য চালাচ্ছেন। বেলসপার্কে আছে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান। এই স্থানটির নিয়ন্ত্রক সালেক ও কুট্টি। প্রায় একযুগ ধরে এই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মাসে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। বিবির পুকুর পাড়ে রয়েছে অর্ধশত ভাসমান দোকান। এসব দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন রাসেল নামের এক ব্যক্তি। সদর উপজেলার লামছড়ি নদীর পাড়ে দুই শতাধিক দোকান রয়েছে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও