ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের গলার কাঁটা, নাকি নাভিশ্বাস?

জাগো নিউজ ২৪ মহসীন হাবিব প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪:০২

না, যুদ্ধটা যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা মাফিক শেষ হলো না। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা ছিল, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশ মিলে ইরানে ব্যাপক বোমা হামলা চালালে এবং এর শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা গেলে ইরান সরকারের মনোবল ভেঙে যাবে এবং ইরানের অভ্যন্তরে যারা সরকার বিরোধী আছে, তাদের দিয়ে রেজিম চেঞ্জ করে ফেলবে। সেকথা পরিষ্কারভাবেই বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তারও আগে বলেছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এরকম হলে যুক্তরাষ্ট্রের দুটো লক্ষ্য পূরণ হতো।


প্রথমত, ইরানে বসিয়ে দেওয়া নতুন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুতে পরিণত হতো এবং ইরানের বিপুল তেলের বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে চলে আসতো, অন্যদিকে ইসরায়েল পরিপূর্ণভাবে নিরাপদ রাষ্ট্রে পরিণত হতো, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আর উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু থাকতো না। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলি ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার করে নিয়েছে। এমনকি অনেকগুলো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। কিন্তু ইরান, হিজবুল্লাহ এবং হুতি মিলিশিয়ারা ইসরায়েলকে মেনে নেয়নি। 


দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী যুদ্ধ এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করা গেলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বব্যাপী আরো বেশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব সুদৃঢ় হতো। তারা অদ্বিতীয় শক্তি হিসাবে বিশ্বব্যাপী অস্ত্র বিক্রি, ডলারের একক আধিপত্য টিকিয়ে রাখবে পারতো। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, হাজার হাজার বোমা ফেলেও ইরানকে নিষ্ক্রিয় করা যায়নি চার সপ্তাহ পরেও। যুদ্ধের ৩০তম দিনেও ইরান ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। এবং ইরানের উপকূল বয়ে যাওয়া হরমুজ প্রণালীকে ইরানের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা যায়নি।


এই লেখায় কোনো ধারাবাহিক আলোচনা পাওয়া যাবে না। কারণ, যুদ্ধে ফোড়ার মুখের মত এত মুখ বের হয়েছে যা একটি একটি করে আলোচনা করা দরকার। এ যুদ্ধের বহু রকম দিক রয়েছে যা একটির সঙ্গে আরেকটিকে মেলানো যায় না।


সামরিক শক্তির কথাই বলি। খালি চোখে দেখলে মনে হবে, ইরান এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ যুদ্ধে পরাজয়ের মুখে। ইরানের আকাশ মুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। যদিও ইরানের এয়ারপাওয়ার বলতে বিশেষ কিছুই ছিল না। ইরান সামরিক কৌশল হিসাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নির্ভর হয়ে উঠেছে। ফলে ইচ্ছামতো আকাশপথে ইরানের হাজার হাজার স্থাপনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ধ্বংস করে দিয়েছে। ইরানের প্রথম সারির প্রায় সব শীর্ষ নেতাকে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা বলছে ভিন্ন হিসাব। অক্ষত নেই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল অথবা তাদের ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলো। 


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা বারবার বলছেন, এ যুদ্ধে আমরা জিতে গেছি। ইরান আমাদের কাছে ভিক্ষা মাঙ্গছে যুদ্ধ বিরতির জন্য- ইত্যাদি। অথচ কয়েক সপ্তাহ পার করেও যখন ইরানের আঘাত সইতে হচ্ছে, তখন ট্রাম্প, তার বিদেশ মন্ত্রী রবিও এবং যুদ্ধমন্ত্রী হেগসেথের বক্তব্য বিবৃতিকে হাস্যকর বলে মনে করছে খোদ পশ্চিমা বিশ্লেষকরাই। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও