কৃষক কার্ড : কৃষি খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা বয়ে আনবে যেভাবে

ঢাকা পোষ্ট ড. এ কে এম মাহমুদুল হক প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০

কৃষি খাতে সরকারের দেওয়া ভর্তুকি, ঋণ ও প্রণোদনার মতো সুবিধা কৃষকের কাছে সহজলভ্য করতে কৃষকদের কার্ডের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৪ বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার। মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরাও এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাঠামোগত বঞ্চনার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে বিএনপি সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে তাদের ভাষ্য।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ কার্ডের আওতায় একজন কৃষক প্রাথমিকভাবে ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। সুবিধার মধ্যে থাকছে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি, সরকারি প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষি বীমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, আবহাওয়ার তথ্য ও রোগবালাই দমনে পরামর্শ।


এই ধরনের উদ্যোগের উদাহরণ পেতে দূরে যেতে হবে না। সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী ভারত এই ধরনের কার্যক্রমকে এক অসামান্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। কিষাণ ক্রেডিট কার্ড এবং পরবর্তী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত কৃষি খাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক সহায়তা কাঠামো তৈরি করেছে।


১৯৯৮ সালে চালু হওয়া এই ক্রেডিট কার্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের আওতায় আনা, যাতে তারা মহাজন বা অনানুষ্ঠানিক ঋণদাতার উপর নির্ভরশীল না থাকে। এর মাধ্যমে কৃষকরা ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরাসরি পেতে শুরু করে এবং ঋণ পরিশোধের সময়ও ফসলের চক্র অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। ফলে কৃষি অর্থায়নে একটি কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও