You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সুই–সুতা বা বুননের কাজ যেভাবে আপনার মানসিক অস্থিরতা কমাবে

সাম্প্রতিক সময়ে নিটিং বা ক্রোশেইং আবার নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে। শুধু ফ্যাশন বা শখ হিসেবে নয়; বরং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার একটি সম্ভাব্য সহায়ক পদ্ধতি হিসেবেও নিটিং নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজকাল অনেককেই দেখা যায় উল দিয়ে বুনছেন পোশাক, মাফলার বা ঘর সাজানোর সামগ্রী। তরুণ অনেকেই আগ্রহভরে শিখছেন এই কাজ। একটা সময় যেটা দাদি-নানিদের শখের কাজ ছিল, আধুনিক জীবনে সেটাই যেন নতুন করে ফিরে এসেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাই নিটিং বা ক্রোশেইং আবার নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে। শুধু ফ্যাশন বা শখ হিসেবে নয়; বরং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার একটি সম্ভাব্য সহায়ক পদ্ধতি হিসেবেও নিটিং নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, সুই–সুতার বুনন মানুষের আবেগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এমনকি কিছু ক্ষতিকর অভ্যাস থেকেও দূরে থাকতে সহায়তা করতে পারে, যেমন পরনিন্দা, পরচর্চা, অতিরিক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার বা ধূমপানের মতো আসক্তি।

শখ নাকি থেরাপি

বুননের কাজ নিয়ে গবেষণা এখনো খুব বেশি নেই। তবে যাঁরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন, তাঁদের মতে, এই সাধারণ কাজের ভেতরে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার মনোরোগবিদ্যার অধ্যাপক কার্ল বারমিংহাম বহু বছর ধরে বুননের সম্ভাব্য মানসিক উপকারিতা নিয়ে কাজ করছেন। ২০০৯ সালে তিনি খাবারসংক্রান্ত মানসিক সমস্যায় ভোগা তরুণীদের নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে একটি গবেষণা চালান। সেখানে অনেক অ্যানারেক্সিয়া নার্ভোসা (ওজন বাড়ার ভয়ে খাদ্য গ্রহণে চরম অনীহা) ও বুলিমিয়া নার্ভোসা (অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার পর ওজন কমানোর জন্য জোর করে বমি, জোলাপ আর অত্যধিক ব্যায়াম করে তা কমানোর প্রবণতা) রোগীই ছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন