দীর্ঘ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ, চাপ বাড়ছে গ্যাস মজুদে

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১৮:০৩

ইরান যুদ্ধ ভীতি জাগালেও এখনও বড় ধরনের জ্বালানি সংকটে পড়েনি বাংলাদেশ; তবে শুরুতেই ধাক্কা লেগেছে আমদানিনির্ভর এ খাতে বিশেষ করে চাপে পড়েছে গ্যাসের মজুদ।


যুদ্ধের দামামা বাড়তে থাকলে বিশ্বের তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বাংলাদেশের গ্যাস ও তেল আমদানির প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আসা সরবরাহ ব্যবস্থায় ছেদ পড়েছে।


শুরুতেই কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো আসার কথা ছিল তা মিলছে না। এতে মার্চ মাসের চাহিদা মেটাতে সরকারকে উচ্চ দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। প্রথম ধাক্কাতেই এ গ্যাস কেনার খরচ বেড়ে গেছে প্রায় তিনগুন।


অপরদিকে প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি আমদানিনির্ভর এলপিজি সরবরাহের ব্যবস্থার কী হবে তা ভাবিয়ে তুলছে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সরকারি নীতি নির্ধারকদেরও।


তবে ইরান যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে খুব বেশি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। কেননা মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনা বন্ধ হলেও ভারতসহ অন্য দেশ থেকে পরিশোধিত তেল আনার পথ খোলা থাকছে।


এমন পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার যুদ্ধের শুরুতে রেশনিংয়ের ঘোষণা দিলে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল নিতে শুরু হয় হুড়োহুড়ি। এতে তেলের সংকট না থাকলেও দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে গিয়ে সেখানে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের। পরে রেশনিং তুলে নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও