লাল পতাকা দেখানো হলেও ট্রেন থামাননি চালক, দাবি স্থানীয়দের
সান্তাহার জংশনের কাছাকাছি ছাতনীগ্রামের বাগবাড়ি এলাকায় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুতের কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। রেলওয়ের প্রাথমিক তথ্য ও স্থানীয়দের বক্তব্যে একাধিক সম্ভাব্য কারণ সামনে এসেছে।
সান্তাহার রেলস্টেশন মাস্টার আছিয়া খাতুন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলের রেললাইনে আগে থেকেই ত্রুটি ছিল। তার দাবি, সেই ত্রুটির কারণেই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে।
অন্যদিকে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ আরও গুরুতর। তাদের দাবি, লাইনম্যান আগে থেকেই বিপদসংকেত দিয়েছিলেন। কিন্তু ট্রেনচালক সেই সংকেত উপেক্ষা করেন বা খেয়াল করেননি।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘লাল পতাকা দেখানো হয়েছিল। যদি সেটা মানা হতো, তাহলে হয়তো এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।’
রেললাইনের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন
ট্রেন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দেশে সবচেয়ে বেশি যে কারণটি উঠে আসে, তা হলো রেললাইনের ত্রুটি ও দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো লাইন, নিয়মিত পরিদর্শনের অভাব এবং সময়মতো মেরামত না করাই এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- ট্রেন দুর্ঘটনা
- লাল পতাকা