দিনে দিনে যত বাড়িয়াছে দেনা...

www.ajkerpatrika.com আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৪০

অনেক সময় অন্যায্যভাবে যদি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র অন্যের ওপর জোরজবরদস্তি করতেই থাকে, একসময় সেই ব্যবস্থার পতন হবে। একসময় না একসময় এর জবাব দিতে হবেই। তাই তো কথায় আছে, ‘দিনে দিনে যত বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ’। প্রিয় পাঠক, আপনারা বুঝতেই পারছেন আজকে কী বিষয়ে আলোকপাত করব। অবশ্যই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সম্পর্কে। সচরাচর যেসব খবর আমরা পাই এগুলো আমরা সবাই জানি, তবে এই যুদ্ধের পেছনে অন্য যে সূত্রগুলো কাজ করছে, আমি চাইব সেগুলোর দিকে আলোকপাত করতে।


যুদ্ধ শুরুর দিন আমি আমার ফেসবুকে লিখেছিলাম—যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে অনেক। ইসরায়েল এবার বুঝবে কত ধানে কত চাল। পয়লা মার্চ পোস্ট দেওয়ার পর টেলিফোনে অনেক বন্ধু বলেছিলেন, যেভাবে যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, তাতে এক সপ্তাহ ইরান টিকতে পারবে কি না সন্দেহ আছে। আমি তাঁদের বলেছিলাম, এই যুদ্ধের পেছনে অনেক প্রস্তুতি আছে। ইরান ৪০ বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়েছে এই আশঙ্কায় যে, যেকোনো মুহূর্তে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় ধরনের আঘাত আসবে ইরানের ওপর। তাই তো গোপনে গোপনে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা নিউক্লিয়ার বোমা বানানোর জন্য হয়তো একটা ব্যবস্থার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। মূলত তলে তলে বিভিন্ন ধরনের মিসাইল, ড্রোন বানানোর দিকে তারা মন দিয়েছে। ইরান বুঝে গেছে বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী দিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে মোকাবিলা করতে পারবে না। তাদের বাঁচতে হলে মিসাইল বা ড্রোনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। এই মিসাইল ও ড্রোনব্যবস্থা যাতে একেবারে পিন পয়েন্টে আঘাত করতে পারে, সেই ব্যাপারেই তারা মনোযোগ দিয়েছিল বেশি। এখানে আমার ধারণা হয়েছিল, এই পিন পয়েন্টে আঘাত করার পেছনে রাশিয়ার সহযোগিতা আছে। এত নিখুঁতভাবে ইরান যে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটির ওপর, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ওপর আঘাত করতে পারে, এটা বিশ্বের ধারণা ছিল না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও