তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করেছে

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২৬, ২০:৫৭

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। গত বছরের ২০ নভেম্বর ওই রায় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। রায়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ওই রায়কে ত্রুটিপূর্ণ ও কলঙ্কিত উল্লেখ করে তা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে।


আপিল বিভাগ রায়ে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা জন্ম নিয়েছিল জাতীয় ঐকমত্য থেকে; যার উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বারবার সৃষ্টি হওয়া সংকট দূর করা। সংবিধান যে গণতান্ত্রিক প্রাণশক্তিকে রক্ষা করতে চায়, এর (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) বিলুপ্তি তাকেই দুর্বল করে দেয়। আপিল বিভাগ মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ধীরে ধীরে সংবিধানের কাঠামোর একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। এটি কার্যত গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করেছে, যা নিজেই সংবিধানের একটি মৌলিক কাঠামো। তবে তা গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হয়েছিল, যখন এই আদালত ত্রয়োদশ সংশোধনীসংক্রান্ত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন। সংক্ষিপ্ত আদেশ ও পূর্ণাঙ্গ রায়ের মধ্যবর্তী সময়ে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনসভা যে হস্তক্ষেপ করেছিল, এটি বিচার বিভাগের সংকট ব্যাখ্যা করার একটি প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা যেতে পারে।

আপিল বিভাগ রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী সংবিধানে ব্যাপক পরিবর্তন এনে ভবিষ্যতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাকেই মূলত বদলে দেয়। বিশেষত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে উদ্দেশ্য করে আনা বিস্তৃত সংশোধনীর মাধ্যমে এটিকে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করার ব্যবস্থা করা হয়। পঞ্চদশ সংশোধনী শুধু দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় থেকে বিচ্যুতই হয়নি, বরং কিছুটা কৌশলের সঙ্গে এমনভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে, যাতে ত্রয়োদশ সংশোধনীসংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রায়ের (যা তখনো প্রকাশিত হয়নি) মূল বক্তব্যকে আগেই নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও