জ্বালানি–সংকটের কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পণ্য সরবরাহ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬

জ্বালানি–সংকটের কারণে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি জীবন রক্ষাকারী ওষুধের স্বাভাবিক সরবরাহ বিঘ্নিত হতে শুরু করেছে। কিছু প্রতিষ্ঠান চাহিদা অনুযায়ী বাজারে পণ্য সরবরাহ করতে পারছে না। কারণ, জ্বালানি তেলের অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোর সব যানবাহন রাস্তায় নামানো যাচ্ছে না। শুধু তা–ই নয়, জ্বালানি–সংকটে শিল্পকারখানায় পণ্য উৎপাদনও ব্যাহত হতে শুরু করেছে।


পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত দুই দিনে পণ্যভিত্তিক বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে জ্বালানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে। যদিও সরকারের তরফ থেকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।


বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় পণ্য উৎপাদন থেকে সরবরাহ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ না বাড়ানো হলে পণ্যসংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তেল-গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম। সংকটের আশঙ্কায় বাংলাদেশেও আতঙ্কিত মানুষ পেট্রলপাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল কিনছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) গত রোববার থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তার আগে ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বিপিসি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও