নারী দিবস পালন জরুরি, কাঠামোগত পরিবর্তন তারচেয়ে বেশি জরুরি, কেন?

ঢাকা পোষ্ট শাহানা হুদা রঞ্জনা প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১৩:১৭

বিশ্বজুড়ে ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ পালিত হয়। মূলত নারীর অধিকার আদায়ের লড়াইকে স্বীকৃতি দিতে এবং সচেতনতা তৈরি করতে এই দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে নারী কতটা ভালো থাকতে পারে, এমন একটি পরিকল্পনা করা হয়। সেইভাবে নির্বাচিত করা হয় দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়।


তবে এর মানে এই না যে, বছরের বাকি দিন নারীর নয়, বাকি দিনগুলোও নারীর। প্রতিদিনকার জীবনে নারীর ভূমিকা কতখানি এটা বোঝার জন্য শুধু আমাদের মা বা স্ত্রীর, এককথায় বলা ভালো, বাসার গৃহিণীর দৈনন্দিন কাজগুলো নিয়ে ভাবলেই বুঝতে পারবো বাকি দিনগুলোও কীভাবে নারীর।


তাই সারা বছরের কর্মব্যস্ত দিনের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট দিন রাখা হয়, যেন আমরা পেছন ফিরে তাকিয়ে পরিবারে, সমাজে ও দেশে নারীর অবদানকে স্মরণ করতে পারি।


অনেকেই মনে করি নারীর জন্য বিশেষ একটা দিন কেন পালন করা হয়? বলা যায় ৮ মার্চ হলো একটি ‘রিমাইন্ডার’ বা মনে করিয়ে দেওয়ার দিন। কিন্তু লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি সমাজ গড়া, যেখানে আলাদা করে কোনো দিবসের প্রয়োজন পড়বে না। প্রতিটি দিনই হবে নারী-পুরুষ সবার জন্য সমান।


একজন গৃহিণী সকাল থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত ৩৬৫ দিনই তার পরিবারের জন্য কাজ করেন। সন্তান জন্মের পর থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত তার সার্বিক দেখাশোনা, খাওয়ানো, পড়াশোনা, সেবা-যত্ন ও নিরাপত্তা রক্ষার দিকটি মূলত মা দেখেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের রোগে-শোকে মা/গৃহিণীই পাশে থাকেন।


অনেকের ধারণা শুধু গৃহিণী যারা, তারা সংসার করা ছাড়া আর কিছু করেন না, স্বামীর আয়ে বসে খান। এই ধারণা তৈরি করেছে এই পিতৃতান্ত্রিক সমাজ, আর সেই ধারণার ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র নারীকে কোণঠাসা করেছে। আর তাই অর্থনীতিতে নারীর অবদান এখনো যথার্থ দৃষ্টি পাচ্ছে না।


নারী তার সময়ের একটা বড় অংশ বাজারকেন্দ্রিক কাজের চেয়ে বাজারবহির্ভূত কাজে ব্যস্ত থাকেন। বিনামূল্যের গৃহস্থালি কাজগুলোই অ-অর্থনৈতিক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই অস্বীকৃত এবং অদৃশ্য কাজগুলো শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রান্না, শিশুযত্ন, বয়স্ক মানুষের যত্ন নয়, এর সাথে আছে কৃষিকাজ, গবাদিপশুর দেখাশোনা ও বীজ সংরক্ষণ।


নারীরা বাইরে এসে কাজ করছেন। কিন্তু তাই বলে কি সংসারের কাজ কমেছে তাদের? বরং দুটি দায়িত্বই তাদের বহন করতে হচ্ছে সমানতালে। এই সংসার চালাচ্ছেন যিনি, তারা মধ্যে খুব সামান্য সংখ্যক নারী নিজের মতো করে, নিজের ইচ্ছায় চলতে ও কথা বলতে পারেন।


শরীর চালনার মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি তারা গ্রহণ করতে পারছেন কিনা, এটাও অগোচরে থেকে যায়। আমরা কি জানি যে দেশের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১ কোটি ৭০ লাখ নারী অপুষ্টির শিকার। তাদের একটি অংশ রীতিমতো অপুষ্ট এবং ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম। (আইসিডিডিআরবি)।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও