You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নারীত্বের ফ্রেমে বন্দি পরিচয়: সীমাবদ্ধতা বনাম সম্ভাবনা

এমন একটি শব্দ আছে, যা উচ্চারণ করা মাত্রই মানুষের চোখে বদলে যায় দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্লেষণের ধরন, বিচার করার মানদণ্ড। সেই শব্দটি হলো—“নারী”।

“মানুষ” বলার আগেই যার পরিচয় আটকে যায় শরীরের গড়নে, ত্বকের রঙে, বয়সের রেখায়, পোশাকের আচ্ছাদনে— সে নারী। তার মেধা, তার চিন্তা, তার পরিশ্রম, তার অর্জন— সবকিছুর আগে দাঁড়িয়ে যায় তার দৈহিক অস্তিত্ব। যেন সে প্রথমে শরীর, পরে মানুষ।

অথচ একই সমাজ যখন বেগম রোকেয়া-এর কথা বলে, তখন তার কলমের শক্তিকে অস্বীকার করতে পারে না। যখন শেখ হাসিনা বা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কথা বলে, তখন রাষ্ট্র পরিচালনার দৃঢ়তাকে কেবল “নারীত্ব” দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। যখন মালালা ইউসুফজাই-এর সাহসের গল্প শোনে, তখন বুঝতে হয়— নারী মানেই দুর্বলতার প্রতীক নয়, বরং প্রতিরোধের আরেক নাম।

তবু বাস্তবতা হলো— একজন নারী ঘরে, কর্মক্ষেত্রে, সমাজে— প্রতিনিয়ত প্রমাণ দিতে থাকে যে সে “যোগ্য”। অথচ একজন পুরুষের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ধরে নেওয়া হয় স্বাভাবিক, নারীর ক্ষেত্রে তা প্রমাণ সাপেক্ষ। এই বৈষম্য শুধু দৃষ্টিভঙ্গির নয়, এটি একটি গভীর সংস্কার, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়েছে।

নারী শব্দটি যেন এক সামাজিক ফিল্টার— যার ভেতর দিয়ে তাকালে মানুষ আগে শরীর দেখে, পরে স্বপ্ন দেখে; আগে রূপ দেখে, পরে রূপান্তরের শক্তি দেখে; আগে সীমা টানে, পরে সম্ভাবনা খোঁজে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে— কেন “নারী” শব্দটি এখনও পূর্ণ অর্থে “মানুষ” হয়ে উঠতে পারলো না? কেন তার পরিচয়ের আগে যুক্ত হয় শর্ত, সংশয়, সন্দেহ?

নারী কেবল সম্পর্কের পরিচয়ে আবদ্ধ নয়— কারও কন্যা, কারও স্ত্রী, কারও মা— এর বাইরেও তার একটি স্বতন্ত্র সত্তা আছে, পরিচয় আছে। সে নিজেই একটি সম্পূর্ণ পৃথিবী, যার চিন্তা আছে, দর্শন আছে, সৃষ্টিশীলতা আছে, প্রতিবাদ আছে, প্রেম আছে।

সমাজ যখন নারীকে শরীর দিয়ে মাপা বন্ধ করবে, তখনই “নারী” শব্দটি আর আলাদা কোনো মাপকাঠি হবে না— হবে কেবল মানুষ হওয়ার আরেকটি সুন্দর রূপ।

যেদিন “নারী” শব্দটি শুনে কেউ আর অন্যভাবে তাকাবে না, যেদিন বিশ্লেষণের আগে সম্মান আসবে— সেদিনই এই শব্দটি মুক্ত হবে অব্যক্ত শৃঙ্খল থেকে। আর সেই দিনটির জন্য শুধু অপেক্ষা নয়— সেই দিনটি তৈরি করার দায়িত্ব আমাদের সবার।

৮ মার্চ— International Women's Day আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই দিনটি কেবল ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়; এটি ইতিহাসের বুক চিরে ওঠা এক উচ্চারণ—“নারী মানুষ, সম্পূর্ণ মানুষ।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন