ইফতারে জিলাপি? জেনে নিন এর স্বাস্থ্যঝুঁকি

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১:৪০

রোজা রেখে ভাজাপোড়া খাওয়ার যে রেওয়াজ আমরা করে ফেলেছি, প্রতিদিন প্লেটের একটা কোণায় ভাজাপোড়া না থাকলে ইফতারটা ঠিকঠাক হয়নি বলে মনে হয় অনেকের। কখনোই আমাদের গ্রামবাংলায় ভাজাপোড়া খাওয়ার এমন প্রচলন ছিল না।


আমরা সবাই কমবেশি এর স্বাস্থ্যঝুঁকিগুলো সম্পর্কে জ্ঞাত। এর পরেও খাই। আলুর চপ, বেগুনি, পাকোড়া, মুখরোচক কাবাবগুলোর মাঝে মিষ্টি একটি খাবার হলো জিলাপি। পুরো বছর খাওয়া না হলেও ইফতারে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এটি। খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ আলমগির আলম জানান, একটা ১০০ গ্রাম আকারের জিলাপি খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের ৭ পয়েন্ট সুগার বেড়ে যায়। ফলে ইফতারে জিলাপি খুব স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নয়। জিলাপি মূলত পরিশোধিত চিনি বা রিফাইন্ড সুগার, ময়দা ও ডুবো তেলে ভাজার মাধ্যমে তৈরি হয়। এ ধরনের খাবার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।


জিলাপির ক্ষতিকর দিক



  • জিলাপিতে অতিরিক্ত চিনি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে। এটি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ে ও কমে। এতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দ্রুত ক্ষুধা লাগে, যা অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ায়।

  • এটি উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার, যা ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। ১০০ গ্রাম জিলাপিতে ৩০০ থেকে ৪০০ ক্যালরি থাকে। এই পরিমাণ ক্যালরি শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণ।

  • জিলাপি ভাজতে সাধারণত ডালডা বা আগে ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের তেল ট্রান্সফ্যাট তৈরি করে। এই ফ্যাট কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

  • জিলাপি তৈরিতে ব্যবহৃত রিফাইন্ড ফ্লাওয়ার বা ময়দা ও চিনি হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি পাকস্থলীতে গ্যাস, অম্বল ও অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে।

  • অতিরিক্ত চিনি শরীরের পানিশূন্যতা বাড়ায় এবং এটি রোজার পর শরীরের জন্য আরও ক্ষতিকর।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও