ডায়াবেটিস রোগীর রোজা কখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়? চেনার উপায় জানুন

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:২২

সেহরি খেয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে রোজা শুরু করলেন। দুপুরের পর হালকা মাথা ঘোরা, বিকেলে অস্বাভাবিক দুর্বলতা - ভাবলেন হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু এসবই হতে পারে বিপদের সংকেত।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রোজার সময় শরীরের প্রতিটি সিগন্যাল গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।


দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করা কমে যেতে পারে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া) বা বেড়ে যেতে পারে (হাইপারগ্লাইসেমিয়া)। দুটোই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আগে থেকেই জানা দরকার – কোন লক্ষণগুলো ঝুঁকির দিকে নির্দেশ করে।


১. রক্তে শর্করা ৩.৯ মিলিমোল/লিটার-এর নিচে নেমে গেলে


আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, রক্তে শর্করা ৩.৯ মিলিমোল/লিটার বা তার নিচে নামলে তা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হিসেবে ধরা হয়। এই অবস্থায় ঘাম, কাঁপুনি, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি হতে পারে। এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভাঙা জরুরি।


২. রক্তে শর্করা ১৬.৭ মিলিমোল/লিটার-এর ওপরে গেলে


অতিরিক্ত উচ্চ শর্করাও সমান বিপজ্জনক। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের রমজান গাইডলাইন অনুযায়ী, সুগার ১৬.৭ মিলিমোল/লিটার ছাড়ালে রোজা চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।


৩. অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অজ্ঞান হওয়ার ভাব


শুধু সংখ্যার ওপর নির্ভর নয়, লক্ষণ বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ক্লান্তি, চোখে ঝাপসা দেখা, বুক ধড়ফড় বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি হলে রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও