এবার ব্যয়বহুল ও জটিল রোগের ওষুধ উৎপাদনে নজর

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:১০

দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পর এবার আরও জটিল ও উচ্চমূল্যের ওষুধ উৎপাদনে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প। বায়োলজিক, ইমিউনোথেরাপি ও বিরল রোগের ওষুধ উৎপাদনের মাধ্যমে একদিকে যেমন রপ্তানি বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো, অন্যদিকে রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসা আরও সাশ্রয়ী করতে চায় তারা। 


২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হেপাটাইটিস সি-এর যুগান্তকারী ওষুধ সোফোসবুভির বাজারে আসে। প্রতি ট্যাবলেটের দাম ছিল প্রায় এক হাজার ডলার। ফলে অনেক রোগীর নাগালের বাইরে চলে যায় চিকিৎসা। 


তবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বাণিজ্য সম্পর্কিত মেধাস্বত্ব অধিকার (ট্রিপস) ছাড়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো এই ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ উৎপাদন করে। এতে দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য হয়। 


এক দশকের বেশি সময় পর দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো একই মডেল অনুসরণ করে আরও উচ্চমূল্যের নতুন প্রজন্মের ওষুধ উৎপাদনে মনোযোগ দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বায়োলজিক, ইমিউনোথেরাপি এবং বিরল রোগের চিকিৎসার ওষুধ। 


এর একটি উদাহরণ সিস্টিক ফাইব্রোসিসের চিকিৎসার ওষুধ। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ভেরটেক্স ফার্মাসিউটিক্যালসের ট্রিকাফটা ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ তৈরি করে বাংলাদেশে ট্রিকো নামে বাজারে এনেছে। 


কোম্পানিটির দাবি, এই ওষুধের দাম মূল ব্র্যান্ডের তুলনায় প্রায় ৯৬ শতাংশ কম। ফলে রোগীদের চিকিৎসা অনেক বেশি সাশ্রয়ী হয়েছে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও