ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী

www.ajkerpatrika.com রাজিউল হাসান প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৯

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি ও শক্তি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতিকে সুযোগ দিতে ১০ দিনের একটি সময়সীমা ঘোষণা করেছেন। এরপর হয়তো কিছু একটা ঘটবে। ট্রাম্পের সামনে আপাতত তিনটি বিকল্প: কূটনৈতিক সমাধানের পথেই থাকা; ইরানকে চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে ছোট পরিসরে সামরিক হামলা; অথবা বড়সড় হামলা চালিয়ে সরকারের পতন ঘটানো।


আপাতত পুরো দুনিয়া দমবন্ধ করে সময় গুনছে। ট্রাম্প কী করেন, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখছে সবাই। এ কথা পরিষ্কার যে ট্রাম্পের সামনে থাকা তিনটি বিকল্পেরই পরিণতি হবে ভিন্ন ভিন্ন। এগুলোর প্রভাবও হবে ভিন্ন ভিন্ন।


প্রথমে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা নিয়ে আলোচনা করা যাক। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন ইরানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির আওতায় দীর্ঘদিন একঘরে হয়ে থাকা ইরান বিশ্বমঞ্চে ফেরার সুযোগ পেয়েছিল। ইরানি জনগণও নতুনভাবে ভাগ্য গড়ার সুযোগ পেয়েছিল। সে সময় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক সংস্থা বারবার নিশ্চিত করেছিল, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে নজরদারিতে সহযোগিতা করছে। সব পক্ষই একধরনের সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছেছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও