ভিন্ন পন্থায় খেলাপি আদায় করে ব্যাংক এশিয়ার চমক
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিরূপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে পুরো ব্যাংক খাতে ঋণ আদায়ের গতি শ্লথ হয়ে যায়। তাতে অন্য অনেক ব্যাংকের মতো বেসরকারি খাতের ব্যাংক এশিয়াও ঋণ আদায়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। এ সময় বাড়তি সুবিধা পাওয়া প্রভাবশালী বড় গ্রাহকদের অনেকেই ঋণ পরিশোধ বন্ধ করে দেয়। কেউ কেউ নামমাত্র এককালীন জমা দিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য ঋণ পুনঃ তফসিলের আবেদন করে।
দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রচলিত ধারা সহজ শর্তে ঋণ পুনঃ তফসিলের সুযোগ দিয়ে খেলাপি ঋণ কমানোর প্রবণতা থাকলেও ব্যাংক এশিয়া সেই গতানুগতিক পথে পা বাড়ায়নি। ব্যাংকটি ঋণ পুনঃ তফসিলকে নগদ প্রবাহের বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন, ঋণগ্রহীতার ঋণ-মূলধন(ইকুইটি) অনুপাত বিশ্লেষণ, নতুন মূলধন সংযোজন ও জামানত বৃদ্ধিতে জোর দেয়। ফলে অধিক ঋণভারাক্রান্ত ও পর্যাপ্ত নগদ প্রবাহ না থাকায় কিছু বড় গ্রাহকের ক্ষেত্রে দর–কষাকষি ও আলোচনাকালে খেলাপি ঋণ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। এতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ২০২৫ সালের মাঝামাঝিতে সাময়িকভাবে বেড়ে ১৯ শতাংশে পৌঁছায়। তবে নানা কৌশল ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে গত বছর শেষে তা কমে ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।