মাটির স্বাস্থ্য ও কৃষির ভবিষ্যৎ

www.ajkerpatrika.com শাইখ সিরাজ প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৭

বাংলাদেশের কৃষি আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে যাচ্ছি, অন্যদিকে সেই সাফল্যের পেছনে যে মূল্য দিতে হয়েছে, তা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে অধিক ফলনের আশায় জমিতে অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার মাটির স্বাভাবিক শক্তিকে ক্ষয় করেছে। এই বাস্তবতায় নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে জৈব সার, বিশেষ করে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার। শুধু একটি বিকল্প সার হিসেবেই নয়, বরং টেকসই কৃষির ভিত্তি হিসেবে জৈব সারের প্রয়োজনীয়তা আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।


কেঁচো সার কারখানার মূল কর্মী কেঁচো। প্রকৃতির লাঙলখ্যাত মানুষের উপকারী ক্ষুদ্র এ প্রাণীটি মূলত জৈব পদার্থ খাওয়ার পর যে মল ত্যাগ করে, সেটিই কেঁচো সার বা ভার্মি কম্পোস্ট। কেঁচো সারে অন্যান্য জৈব সারের তুলনায় প্রায় ৭ থেকে ১০ শতাংশ পুষ্টিমান বেশি থাকে। একটি আদর্শ ভার্মি কম্পোস্টে শতকরা ১.৫৭ ভাগ নাইট্রোজেন, ১.২৬ ভাগ ফসফরাস, ২.৬০ ভাগ পটাশ, ০.৭৪ ভাগ সালফার, ০.৬৬ ভাগ ম্যাগনেশিয়াম, ০.০৬ ভাগ বোরন, ১৮ ভাগ জৈব কার্বন, ১৫ থেকে ২৫ ভাগ পানি ও সামান্য পরিমাণ হরমোন থাকে। কেঁচো সার মাটির পানি ধারণ করার ক্ষমতা এবং বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে। ফলে মাটির উর্বরতাশক্তি বৃদ্ধি পায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও