সোশ্যাল জেট ল্যাগ আসলে কী?
আমাদের শরীরের ভেতরে একটি প্রাকৃতিক ঘড়ি থাকে, যাকে বলে সার্কাডিয়ান রিদম। এটি আমাদের ঘুম ও জাগরণের সময় নিয়ন্ত্রণ করে। যখন আমাদের সামাজিক জীবনের ব্যস্ততা (যেমন: অফিস, স্কুল বা আড্ডা) আমাদের শরীরের এই প্রাকৃতিক ঘড়ির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তখনই তৈরি হয় সোশ্যাল জেট ল্যাগ।
সহজ কথায়, আপনি যদি কাজের দিনগুলোয় রাত ১১টায় ঘুমান এবং ভোর ৬টায় ওঠেন, কিন্তু ছুটির দিনে রাত ২টায় ঘুমান এবং সকাল ১০টায় ওঠেন—তবে আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িটি বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এটি অনেকটা ভিন্ন টাইম জোনের দেশে ভ্রমণের ফলে হওয়া ‘জেট ল্যাগ’-এর মতোই প্রভাব ফেলে, যদিও আপনি আপনার নিজের বিছানাতেই থাকছেন।