বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত

প্রথম আলো মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:২৯

স্বাস্থ্যসেবা একটি উন্নত সভ্যতার মানদণ্ড। দেশের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো, শিল্প বা অর্থনীতির ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু সেই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। বাংলাদেশে সর্বশেষ জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণীত হয়েছিল ২০১১ সালে। তৎকালীন সরকারের প্রণীত নীতিটি প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য ও কর্মকৌশলে সমৃদ্ধ হলেও বাস্তবায়নে ছিল বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা।


বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারি সেই দুর্বলতাকে প্রবল রূপে উন্মোচিত করেছে। তাই উপযুক্ত সময় এসেছে একটি নতুন, সময়োপযোগী, জনবান্ধব ও বাস্তবসম্মত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার।


বর্তমান স্বাস্থ্যনীতির সীমাবদ্ধতা


২০১১ সালের স্বাস্থ্যনীতিতে প্রস্তাবনা, রূপকল্প, তিনটি উদ্দেশ্য, ১৯টি লক্ষ্য ও ৩৯টি কর্মকৌশলের উল্লেখ আছে। তবে সেগুলোর অনেক কিছুই বাস্তবায়নের অভাবে কাগজে-কলমেই থেকে গেছে। এর দুর্বলতাগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:


১. ওষুধ সরবরাহে অপর্যাপ্ততা ও দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় রোগ মোকাবিলায় মৌলিক ওষুধ সরবরাহকল্পে ব্যাপক সীমাবদ্ধতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে গরিব জনগোষ্ঠীর দীর্ঘস্থায়ী রোগের ওষুধ, সরকারি হাসপাতালে জরুরি ওষুধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।


২. গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা অনুপস্থিত, বিগত সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়।


৩. দক্ষ জনবলসংকট, চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকের ঘাটতি প্রকট। সংকট সমাধানে উদ্যোগ অপ্রতুল।


৪. অসংগঠিত রেফারেল ব্যবস্থা; রোগীদের ঢাকামুখী প্রবণতা, এমনকি ঢাকার অনেক হাসপাতালেও রোগীদের ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।


৫. জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় অপ্রস্তুতি, মহামারির সময়, বিশেষত কোভিড, ডেঙ্গুর সময়ে বিষয়টা দেখা যায়।


৬. সরকারি ও বেসরকারি খাতে মানহীন স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার ও সামঞ্জস্যের অভাব।


৭. সর্বোপরি স্বাস্থ্য খাতে মাথাপিছু ব্যয় অত্যন্ত সীমিত। স্বাস্থ্যনীতি কার্যকর তখনই হবে, যখন ব্যয় বরাদ্দ সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।


কোভিড মহামারি প্রমাণ করেছে, স্বাস্থ্যনীতি যদি জনবান্ধব ও শক্তিশালী না হয়, তবে তা জনগণের উপকারে আসে না।


স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার


বিকেন্দ্রীকৃত স্বাস্থ্যসেবা: দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঢাকাকেন্দ্রিক। বিশেষায়িত হাসপাতাল, উন্নত ল্যাব ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রায় সবাই রাজধানীতে কেন্দ্রীভূত। এটির বিপরীতে প্রতিটি বিভাগে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান উদাহরণস্বরূপ, ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ, কিডনি, স্ট্রোক ও মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ইত্যাদি স্থাপন, দক্ষ জনবল নিয়োগ সে ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।


প্রতিটি জেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় আইসিইউ, সিসিইউ, ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন ও উপজেলা পর্যায়ে জরুরি চিকিৎসা ও প্রাথমিক স্ক্রিনিং সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও