You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শীতের পারফেক্ট স্কিনকেয়ার: শুধু মুখ নয়, চাই ত্বকেরও যত্ন

শীতকালে আলসেমি যেন একটু বেশিই ভর করে বসে। যার প্রভাব পড়ে আমাদের স্কিনকেয়ার রুটিনেও। তাই কোনোমতে চেহারার যত্ন তো নেওয়া হয়, কিন্তু বাদ পড়ে যায় দেহের অন্যান্য অংশ, যা মোটেও ঠিক নয়। কারণ, শীতকালে মুখের ত্বকের তুলনায় আমাদের হাত-পা আরও বেশি রুক্ষ হয়ে ওঠে।

তাই অনেক সময় দেহের এসব অংশে খসখসে ভাব, চুলকানি, এমনকি ফাটা ভাব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ ছাড়া ঠিক সময়ে যত্ন না নিলে দীর্ঘমেয়াদি রুক্ষতা বা কালচে দাগ দেখা দিতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে একটি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই শীতকালে চেহারার সঙ্গে এসব অংশের সঠিক পরিচর্যা অত্যন্ত জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে যত্ন নিলে শীতকালে ত্বক থাকবে মসৃণ ও কোমল।

শীতকালে শরীরের যেসব অংশে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন

হাত ও কনুই

হাত দিনের বেশির ভাগ সময় বারবার ধোয়া হয়, টেবিল, ল্যাপটপ বা অন্যান্য জিনিসের স্পর্শে আসে। তাই শীতকালে বাতাস ও কম আর্দ্রতার কারণে হাত দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়।

হাঁটু ও গোড়ালি

এই অংশগুলোর ত্বক তুলনামূলক পুরু, তাই রুক্ষতা সহজেই চোখে পড়ে। শীতকালে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজ না করলে এগুলোতে ফাটা দাগ বা কালচে দাগও দেখা দিতে পারে।

পা

শীতে পায়ে মোজা ব্যবহারের কারণে ঘাম জমে যায়, আবার শুষ্ক বাতাসের সংস্পর্শে থাকায় ত্বক দুই ধরনের প্রভাবের সম্মুখীন হয়। পায়ের ত্বক দ্রুত খসখসে হয়ে ওঠে এবং গোড়ালি ও পায়ের পাতা ফেটে যেতে পারে।

শীতকালে এসব অংশ কীভাবে রাখবেন কোমল ও মসৃণ

১. গোসলের পর সঙ্গে সঙ্গে ময়েশ্চারাইজ করুন

গোসলের পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগানো সবচেয়ে কার্যকর। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ‘লক’ করে রাখে। এ ক্ষেত্রে ভ্যাসলিন ডিপ রিস্টোর সিরাম-ইন-লোশন হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। এতে থাকা ভ্যাসলিন জেলি ও গ্লিসারিন ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লং লাস্টিং ময়েশ্চারাইজেশন নিশ্চিত করে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক থাকে সফট, স্মুথ ও আরামদায়ক, শীতের রুক্ষতা থেকে পায় কার্যকর সুরক্ষা।

২. হাত ও কনুইয়ের বাড়তি যত্ন

হাত বারবার ধোয়া হয়, তাই হাতের ত্বককে রুক্ষতা থেকে রক্ষা করতে দিনে কয়েকবার লোশন ব্যবহার করুন। কনুইতে লোশন ব্যবহারের সময় হালকা ম্যাসাজ করে নিন, যাতে শুষ্কতা ও খসখসে ভাব দূর হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন