১৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তোড়জোড়, নেপথ্যে ‘ঘুসবাণিজ্য’

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪১

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে এক হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা তড়িঘড়ি আবেদন নিয়ে মাত্র এক সপ্তাহে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে সংশ্লিষ্টদের চূড়ান্তও করে ফেলেছে। তা অনুমোদনের জন্য বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন মিললেই এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।


এভাবে রকেট গতিতে এতসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়াকে নজিরবিহীন বলছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, এর পেছনে কাজ করছে কয়েক শ কোটি টাকার ঘুসবাণিজ্য। প্রতিষ্ঠানভেদে প্রতিটির জন্য ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। কোথাও কোথাও শিক্ষকপ্রতি ১০ লাখ টাকা ঘুস নেওয়া হয়েছে। ফলে যে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক বেশি, সে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে ঘুসও বেশি। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেনদেনের পরিমাণ অর্ধকোটি ছাড়িয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।


অন্যদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত হলে হঠাৎ করেই সরকারের খরচ বাড়বে। বছরে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় মেটাতে লাগবে ৬৭০ কোটি টাকারও বেশি। অথচ এগুলোর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই নেই কাম্য শিক্ষার্থী। চলছে নামকাওয়াস্তে।


যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, শিক্ষকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার শেষ সময়ে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে যাচ্ছে। এখানে কোনো অর্থের লেনদেন হয়নি। যাচাই-বাছাই করে এ তালিকা চূড়ান্ত করেছেন তারা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও