স্নেইল ফিভার কী, কেন এটি নীরব ঘাতক? প্রতিকার জেনে রাখুন
স্নেইল ফিভার চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সিস্টোসোমিয়াসিস নামে পরিচিত। এটি ম্যালেরিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরজীবীঘটিত রোগ। সাধারণত ক্রান্তীয় (এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বিভিন্ন অংশজুড়ে বিস্তৃত) ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের (এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু অংশ) দেশগুলোয় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। প্রতিরোধযোগ্য হলেও সচেতনতার অভাবে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ এতে আক্রান্ত হয়।
রোগটি আদতে কী
স্নেইল ফিভার কোনো সাধারণ জ্বর নয়। এটি একধরনের পরজীবী কৃমি (সিস্টোসোমা) দ্বারা সৃষ্ট। এসব কৃমি জীবনচক্রের একটি অংশ কাটায় নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতির মিষ্টি পানির শামুকের শরীরে। সেখান থেকে লার্ভাগুলো পানিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং যখন কোনো মানুষ সেই দূষিত পানিতে গোসল করে বা কাজ করতে নামে, তখন লার্ভাগুলো সরাসরি মানুষের ত্বকের ছিদ্র দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে।
সংক্রমণের লক্ষণ
শরীরে পরজীবী প্রবেশের কয়েক দিনের মধ্যে ত্বকে চুলকানি বা লালচে র্যাশ দেখা দিতে পারে। তবে মূল লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় এক-দুই মাস পর—
তীব্র জ্বর ও কাঁপুনি।