রপ্তানি আয়ের ক্রমাগত পতন থামছে না কেন?

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪০

দেশের রপ্তানি আয়ে পতনের ধারা গত কয়েক মাস ধরে অব্যাহত রয়েছে। পতনের হার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও বিশ্ব বাজারে দুর্বল চাহিদার কারণে থামছে না এ পতন। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা গত ডিসেম্বরে ছিল ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ।


চলতি অর্থবছরের (২০২৫–২৬) জুলাই–জানুয়ারি সময়ে রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে। জুলাই-ডিসেম্বর মাসে পতনের হার ছিল ২ দশমিক ১৯ শতাংশ।


ধারাবাহিক হ্রাস রপ্তানিকারীদের উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। যদি এই নেতিবাচক প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা হারাতে পারে বলে মনে করছেন রপ্তানিকারকরা।


প্রধান খাতগুলো, যেমন তৈরি পোশাক ও কৃষিপণ্য উল্লেখযোগ্য হ্রাসের মুখোমুখি হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি ও সরবরাহ চেইনের জটিলতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।


রপ্তানি আয়ের চিত্র


২০২৬ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ৪ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার।


সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়
চলতি অর্থবছরের জুলাই–জানুয়ারি সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২৮ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের একই সময়ের ২৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। ফলে এই সময়ে মোট রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।


দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্প থেকে জুলাই–জানুয়ারি ২০২৫–২৬ সময়ে আয় হয়েছে ২২ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ২৩ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম। এর মধ্যে নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি কমে ১২ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যেখানে আগের বছর ছিল ১২ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ হ্রাস হয়েছে এবং ওভেন পণ্যের রপ্তানি ১০ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা আগের বছরের ১০ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৬০ শতাংশ কম।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও